বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’-তে রূপ নিয়েছে। এটি ক্রমান্বয়ে শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সোমবার (২ নভেম্বর) ঝড়টি ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সমুদ্র উত্তাল থাকায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সঙ্কেত নামিয়ে তার পরিবর্তে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সঙ্কেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’-তে পরিণত হয়। রোববার দুপুর ১২টায় ঘূর্ণিঝড়টি পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিলো। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির খবর পাওয়া গেলেও পটুয়াখালীর উপকূলীয় উপজেলা রাঙ্গাবালী ও পায়রা বন্দর এলাকায় এর এখনো কোনো প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েনি। এদিন দিনভর ওই অঞ্চলে রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ ও ভ্যাপসা গরম আবহাওয়া বিরাজ করছিলো। এখানকার নদনদী ও উপকূলীয় এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
