চলমান গ্রীষ্ম মৌসুমে তাপমাত্রা অত্যধিক বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার চাহিদা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদে যশোর-৪ আসনের জামায়াতের ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. গোলাম রছুলের তারকাচিহ্নত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের প্রক্ষেপিত বিদ্যুৎ চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জ্বালানি (গ্যাস, কয়লা ও তরল জ্বালানি) সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে গ্যাসভিত্তিক, কয়লাভিত্তিক ও তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসমূহের সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে সম্পন্ন করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহ উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতি জনিত কারণে লোডশেডিং করার প্রয়োজন হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, তবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ, ঝড়-বৃষ্টি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের নির্ধারিত বা অনির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের কারণে কখনো কখনো সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে থাকে।
মন্ত্রী জানান, নওয়াপাড়া শিল্পাঞ্চল ও খুলনা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে বর্তমানে লোডশেডিং নেই।
তবে মৌসুমী ঝড়বৃষ্টির কারণে কিছু কিছু এলাকায় মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ বিভ্রাট সমস্যা দেখা দেয়, যা আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যা নিরসনপূর্বক বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হয়।
ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ জুন
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ