জাতীয় শোক দিবসে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মদিন উদযাপন নিয়ে জারি করা রুল ও এই সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ওপর শুনানি উচ্চ আদালতের অবকাশকালীন ছুটির পর অনুষ্ঠিত হবে।
১৯ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অবকাশকালীন ছুটির জন্য বন্ধ থাকবে উচ্চ আদালত। এর মাঝে আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বরের ছুটি, ১৭ ও ১৮ই ডিসেম্বর সরকারি ছুটি থাকবে। তাই আগামী বছরের আগে এই রিটের শুনানি হওয়ার আর সুযোগ থাকলো না।
এর আগে, মঙ্গলবার উচ্চ আদালতের নির্দেশে খালেদার জন্মদিন সংক্রান্ত সব নথি হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চে এসব নথি দাখিল করা হয়।
ছয়টি সংস্থার তথ্যে খালেদা জিয়ার তিনটি জন্ম তারিখ হলো- ১৯৪৬ সালের ৮ মে, ১৫ আগস্ট এবং ৫ সেপ্টেম্বর।
এর আগে, গত ১৩ জানুয়ারি খালেদার জন্মদিন সংক্রান্ত সব নথি তলব করে হাইকোর্ট। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে এসব দাখিল করেন সংশ্লিষ্টরা।
তার আগে, গত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে খালেদার জন্মদিন পালনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট হয়।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়া শারীরিক অবস্থার আবারো অবনতি
এর শুনানিতে গত ১৩ জুন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ তার জন্মদিনের সব নথিপত্র তলব করে। একই সঙ্গে ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন কেন অবৈধ হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।
এছাড়া খালেদা জিয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও জন্ম নিবন্ধনের সব নথি হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
একাত্তর/আরএ
