ফুটপাতের পর এবার হকারদের দখলে রাজধানীর বেশিরভাগ ব্যস্ততম ফুটওভার ব্রিজ। হরেক রকম পণ্যের পসরা সাজিয়ে দোকান বসানোর কারণে রাস্তা পারাপারে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। অনুমতি ছাড়া বসা হকারদের দাবি, নিরুপায় হয়েই ব্রিজে বসছেন তারা।
অভিযোগ আছে, হকারদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে দোকান বসানোর সুযোগ করে দিচ্ছেন অনেকে।
উত্তর বাড্ডার ফুটওভার ব্রিজ দেখে মনে হতে পারে এটা কোন মার্কেট। ব্রিজের অর্ধেকজুড়ে নানা রকম পণ্যের দোকান। যেখানে স্বাভাবিক চলাচলের কোন উপায় নেই।
একই অবস্থা এই সড়কের ভাটারার নতুন বাজারের ফুটওভার ব্রিজটিরও। সেখানেও ব্রিজের অর্ধেকজুড়ে বসানো হয়েছে দোকানপাট।
হকাররা জানান, মাঝে মাঝে তারা ব্রিজে বসতে চাঁদা দেন।
নর্দ্দার ফুটওভার ব্রিজটির অবস্থা আরও সোচনীয়। সেখানে রীতিমত কাঠ পেতে নিজেদের জায়গা দখলে রেখেছেন হকাররা। তাদের দাবি বাইরে দোকান নেয়ার সামর্থ্য না থাকায় নিরুপায় হয়ে তারা এখানেই দোকান বসিয়েছেন।
হকারদের দাবি, লোকজনের যাতে ক্ষতি না হয়- সে বিবেচনায় তারা অর্ধেক জায়গায় দোকান বসান। বাকি অর্ধেকে লোকজন চলাফেরা করেন।
ফুটওভার ব্রিজে দোকান বসানোর অনুমতি কে দেয় বা কারা এখানে বসার সুযোগ দিয়ে চাঁদা নেয় তা বলতে না চাইলেও তারা স্বীকার করেছেন রোজই তাদের টাকা দিতে হয়।
রামপুরা থেকে কুড়িলের এই সড়কে ফুটওভার ব্রিজ আছে মোট ছ’টি। প্রায় সবগুলোরই এমন অবস্থা। এতে করে রাস্তা পারাপারে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে মানুষকে।
আরও পড়ুন: দুর্ঘটনা এড়াতে তিতাসের পাইপ মেরামতের উদ্যোগ
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওভারব্রিজে দোকান বসানোর কারণে চলাচলসহ নানান ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের।
তবে উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন হকাররা।
একাত্তর/আরএ
