চলমান কঠোর বিধিনিষেধের কারণে
গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ও টানা বৃষ্টিতে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন গাজীপুরের পোশাক কারখানার
শ্রমিকরা। স্বল্প সংখ্যক কারখানার নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা থাকলেও নেই অধিকাংশ কারখানার।
ফলে অনেক শ্রমিক বৃষ্টিতে ভিজে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে পৌঁছেছেন কর্মস্থলে।
শুক্রবার (২ জুলাই) সকালেও দূর পথের শ্রমিকরা টেম্পু, ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সাসহ হালকা যানবাহনের চড়ে কারখানার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
এতে স্বল্প আয়ের শ্রমিকদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। এদিকে শত ভোগান্তি পাড়ি দিয়েও কারখানায় সময়মতো পৌঁছাতে পারছেন না অনেকে। এতে কিছু কিছু কারখানা দেরিতে উপস্থিতির কারণে দৈনিক হাজিরা থেকে কেটে নিচ্ছে টাকা। সব মিলিয়ে কঠোর বিধিনিষেধে চরম বিপাকে পোশাক শ্রমিকেরা।
এর আগে গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ-এর দাবির প্রেক্ষিতে সরকার কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও নিজস্ব পরিবহনের ব্যবস্থা করে পোশাক কারখানা খোলা রাখার অনুমতি প্রদান করে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিন করোনা সংক্রমণ ও বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বাধীন ১৬টি মোবাইল টিম ৮৩টি মামলা দায়ের করে। জরিমানার মাধ্যমে আদায় করা হয় ৭৭ হাজার ২০০ টাকা।
আরও পড়ুন: রাতে ঢাকায় পৌঁছাতে শুরু করবে ৪৫ লাখ ডোজ টিকা
গাজীপুর সিভিল সার্জন অফিসের দেয়া তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) জেলায় ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৭৩ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজার ৬৮৬ জন। আর ২৪ ঘন্টায় নতুন করে জেলায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় করোনাভাইরাসে মোট ২৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সাধারণ লোকজন তেমন একটা বাইরে না বের হলেও সশস্ত্র বাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দেখা গেছে। এমনকি জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট এবং মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্টও ছিল চোখে পড়ার মতো।
একাত্তর/আরবিএস
