সদ্য সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান বিদেশে যেতে চাইলে সরকার বাধা দেবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুরাদ হাসান বিদেশে যাবেন কিনা সেটা তার সিদ্ধান্ত। এখানে আমাদের কিছু করার নাই।
এর আগে দেশের বেশ কিছু গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, অশালীন ও শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্যের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে পদত্যাগ করার পর মুরাদ হাসান বিদেশ যাচ্ছেন।
আজও শোনা যায় একই গুঞ্জন। বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) রাতেই নাকি কানাডায় যাওয়ার জন্য টিকিট কেটেছেন মুরাদ।
সম্প্রতি বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে আলোচনায়-সমালোচনার মুখে পড়েন ডা. মো. মুরাদ হাসান। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে সম্প্রতি অশালীন ও বর্ণবাদী মন্তব্য করে সমালোচিত হন তিনি। সঙ্গে ছিল চিত্রনায়ক ইমন ও চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে আপত্তিকর ফোনালাপ ফাঁস হয়। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে মুরাদ হাসানকে মঙ্গলবারের মধ্যে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে মুরাদ হাসানের অশালীন ও শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলতে বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন: ‘প্রধানমন্ত্রী চাইলেই মুরাদকে সংসদ থেকে বাদ দিতে পারেন না’
২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকেটে জামালপুর-৪ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মুরাদ হাসান। এরপর ২০১৮ সালে তিনি দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য হন। ২০১৯ সালে শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বার সরকার গঠন করলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান মুরাদ। ২০১৯ সালে তাকে স্বাস্থ্য থেকে সরিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
একাত্তর/এসি
