দ্বৈত নাগারিক- এমন অভিযোগ মোকাবেলায় উচ্চ আদালতে গিয়েও ফরিদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীম হক এবং বরিশাল-৪ আসনে নৌকার প্রার্থী শাম্মী আহমেদের প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।
সোমবার বিচারপতি মো. ইকবাল কবীর ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের বেঞ্চ তাদের রিট আবেদন খারিজ করে ইসির সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।
শামীম হক নেদারল্যান্ডসের নাগরিক—এমন অভিযোগ তুলে তার প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে গত আট ডিসেম্বর আবেদন করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে আজাদ।
পরে ১৫ ডিসেম্বর শামীম হকের প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন শামীম হক।
অন্যদিকে এ কে আজাদের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে শামীমও পাল্টা অভিযোগ করেছিলেন ইসিতে। তার দাবি, আজাদ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে আজাদের প্রার্থিতা টিকে গেলেও শামীমের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। এরপর তিনি হাই কোর্টে আসেন। পরে হাইকোর্ট ইসি সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।
অপরদিকে গত ১৫ ডিসেম্বর দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিল হয় বরিশাল-৪ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাম্মীর।
এরপর প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন শাম্মী। পাশাপাশি তথ্য গোপনের অভিযোগে ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী, আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি পঙ্কজ দেবনাথের প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে পঙ্কজের প্রার্থিতা টিকে গেলেও দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে শাম্মীর প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। এরপর তিনি হাই কোর্টে এসেও নিজের পক্ষে রায় পেলেন না।
ব্যালট যাবে ভোটের সকালে, ইসির পরিপত্র জারি 