প্রচারে আচরণবিধি মানছেন না বেশিরভাগ প্রার্থী

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৪, ১০:৫১ এএম

ভোটের প্রচারে নির্বাচনী আচরণবিধি মানছেন না বেশিরভাগ প্রার্থী। নিষেধাজ্ঞা থাকার অনেকেই ছেপেছেন রঙ্গিন পোষ্টার ব্যানার। তাও লাগাচ্ছেন যেখানে সেখানে। বিভিন্ন রকম যানবাহন নিয়ে করছেন শোভাযাত্রা। 

শুধু তাই নয়, মানছেন না মাইক ব্যবহারের বিধিমালাও। এমন নানা অভিযোগে এখন পর্যন্ত আড়াইশ প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে কমিশন। 

নির্বাচনী আচরণবিধির অনুচ্ছেদ ৮৭ এ । প্রথম যে নিষেধাজ্ঞার কথাটি বলা আছে, তা হলো নির্বাচনী প্রচারে কোন রঙ্গিন পোস্টার লাগানো যাবে না। কিন্তু রাজধানীতে ছোট বড় সব প্রার্থীই এই কাজটি করছেন। 

দেয়ালে পোস্টার লাগানো নিষেধ করা হলেও তা মানতে দেখা যায়নি কোন প্রার্থীকেই। বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পোস্টার টানানো যাবে না। কোন যানবাহন বা নৌ পরিবহনেও পোস্টার লাগানো যাবে না।

কিন্তু নগরীতে প্রতিদিনই বাড়ছে পোষ্টার লাগানো যানবাহনের চলাচল। সড়ক কিংবা ফুটপাথ দখল করে করা হয়েছে নির্বাচনী ক্যাম্প। একটি এলাকায় তিনটির বেশি মাইক ব্যাবহার না করার নির্দেশনাও উপেক্ষিত। 

প্রচারে বিভিন্ন যানবাহনের শোভাযাত্রাও নিষেধ। এমন নানা অনিয়মের কারণে এখন পর্যন্ত ২৫০ জন প্রার্থীকে আচরণবিধি লঙ্গণের অভিযোগে কারন দর্শানোর নির্দেশ নিয়েছে ইসি। মামলা হয়ছে তিন জনের বিরুদ্ধে।

তবে নির্বাচন বিশ্লেষক বদিউল আলম মজুমদারের মতে, বড় অনিয়ম পার পেয়ে যাওয়ায় ছোটখাটো এসব ইস্যুকে গুরুত্ব দিতে চান না প্রার্থীরা। ইসির ছাড় দেবার প্রবণতাও ভোটের পরিবেশে প্রভাব ফেলবে। 

এদিকে, রাজধানীর মতো চট্টগ্রামে প্রার্থীদের জমজমাট প্রচারের পাশাপাশি আচরণবিধি লঙ্ঘন নিত্য ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এ পর্যন্ত অর্ধশতাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।

আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে নৌকার প্রার্থী এক এমপির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। তলব করা হয়েছে অনেকজনকে। শোকজ করা হয়েছে কয়েকজনকে। 

বিশেষ করে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির বিচারিক কর্মকর্তাদের কাছে।

 

একাত্তর/এসি
কোনো কোনো প্রার্থী পরিস্থিতি খারাপ করতে আচরণবিধি লংঘন করে উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় তিন কোটি টাকা খরচ করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দলটির সর্বোচ্চ সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করার সুযোগ ছিলো।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সবচেয়ে বেশি অনলাইন বুলিইংয়ের শিকার হয়েছেন।
দেশি-বিদেশি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন হলেও মানুষের অনাস্থা দূর করা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের সব থেকে বেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিডিয়া যদি...
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা শেষে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতেই পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সদ্য সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য...
নিজ নির্বাচনী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রকাশ্যে ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন ও মহড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দেশব্যাপী তোলপাড় ও সমালোচনার মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক...
সৌদি আরবে সম্প্রতি দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়ায় কূটনৈতিক তথ্য আদান-প্রদানে মারাত্মক ঘাটতি থাকার কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর