দেশের আর্থিক খাতকে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা এবং এটিকে ব্যবসা খাত থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে এই খাতে সুশাসন নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে দলটি।
রোববার (৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান কমিটির সদস্য ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য সাইফুল আলম।
বৈঠক শেষে সাইফুল আলম বলেন, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ও সুশাসন ফিরিয়ে আনতে জামায়াতের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের মালিকানা কোনো একক গোষ্ঠী বা পরিবারের হাতে কেন্দ্রিক করা যাবে না। পাশাপাশি যেসব ঋণখেলাপি ব্যাংক থেকে অর্থ লোপাট করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে এবং বিদেশে পাচার বা লুটপাট হওয়া সম্পদ উদ্ধার করতে হবে।
ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনার তাগিদ দিয়ে তিনি আরও বলেন, ঋণ অনুমোদনের জন্য সুনির্দিষ্ট ও কঠোর মানদণ্ড স্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের হাতে ঋণ অনুমোদনের যে ক্ষমতা রয়েছে, তা বাতিল করার দাবি জানিয়েছি আমরা, যাতে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার বা অনিয়ম না ঘটতে পারে।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর দেওয়া এসব প্রস্তাবকে ইতিবাচক ও সময়োপযোগী হিসেবে গ্রহণ করেছেন কমিটির সভাপতি ও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আর্থিক খাতের সংস্কারে এই প্রস্তাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে বৈঠকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়।
