তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজেকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। বাবর আজমের সেঞ্চুরি ও খুশদিল শাহর ঝড়ো ইনিংসে সিরিজে এগিয়ে গেলো পাকিস্তান।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শাই হোপের সেঞ্চুরিতে আট উইকেট হারিয়ে ৩০৫ রানের বড় পুঁজি পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডেতে এই প্রথম তিনশ’ রানের তাড়া করে জিতলো পাকিস্তান। এর আগে ২০০৮ সালে আবু ধাবিতে ২৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয় ছিল আগের রেকর্ড।
এই সংস্করণে টানা তৃতীয় সেঞ্চুরিতে ১০৭ বলে ৯ চারে ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন বাবর। ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি।
তবে, মাত্র ২৩ বলে ৪ ছক্কা ও একটি চারে অপরাজিত ৪১ রানের ইনিংস খেলে জয় নিশ্চিত করা খুশদিলের হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
জয়ে অবদান আছে ইমাম উল হক ও মোহাম্মদ রিজওয়ানেরও। ওপেনার ইমাম ৭১ বলে করেন ৬৫। ৬১ বলে ৫৯ রান করেন কিপার-ব্যাটসম্যান রিজওয়ান।
প্রথমে ব্যাট হাতে নেমে ১৩৪ বলে ১৫ চার ও ১ ছয়ে ১২৭ রানে করেন ক্যারিবিয়ান ওপেনার। শুরুতে ব্যাট করে কাইল মেয়ার্সকে দ্রুত হারালেও শেই হোপ আর শামরাহ ব্রুকসের ১৫৪ রানের জুটিতে পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পায় উইন্ডিজ।
১৫৪ রানের বড় জুটি ভাঙে ব্রুকসের বিদায়ে, মোহাম্মদ নওয়াজের বলে শাদাব খানের এক হাতে নেওয়া দুর্দান্ত ক্যাচে। নেদারল্যান্ডসে সর্বশেষ ম্যাচে অপরাজিত সেঞ্চুরি করা ব্রুকস এবার ৮৩ বলে ৭ চারে খেলেন ৭০ রানের ইনিংস।
ব্রুকসের বিদায়ের পর অবশ্য রান তোলায় মনোযোগ দেয় উইন্ডিজ। পরের দশ ওভারে দুটি উইকেট হারালেও রান উঠছিল ওভারপ্রতি ছয়েরও বেশি করে। তাতে চল্লিশ ওভার শেষে দলের রান দাঁড়ায় ২১৮।
আরও পড়ুন: বাহরাইনের কাছে দুই গোলো হেরে বাছাই শুরু বাংলাদেশের
ছয় উইকেট হাতে রেখে শেষ দশ ওভারে ঝড়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল উইন্ডিজ। শেষমেশ সেটা করেও ছেড়েছে। হোপ ইনিংসের ৪৫তম ওভারে ফিরলেও রোমারিও শেফার্ড আর রভম্যান পাওয়েলের ২০ বলে ৪১ রানের জুটি ৩০৫ রানের বড় এক জুটিই এনে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।
স্বাগকিতদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন হারিস রউফ।
একাত্তর/আরএ
