রোববার কলম্বোর প্রেমাদাসায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার হাই-ভোল্টেজ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচটি শুধু একটি রোমাঞ্চকর ক্রীড়া লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং এটি এশিয়ার পাঁচটি ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ পর্যায়ের ‘ক্রিকেট কূটনীতির’ এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হতে যাচ্ছে। আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহের কলম্বোয় আসার কথা রয়েছে, যার উপস্থিতিতে ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক অথচ তাৎপর্যপূর্ণ বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ভারতীয় সংসাদ সংস্থা পিটিআই এক প্রতিবেদন জানিয়েছেন, বুলবুল কলম্বোয় উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখার পাশাপাশি গত কয়েক সপ্তাহের তিক্ততা ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শেষে ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ গলাতে তিনি আগ্রহী।
সাম্প্রতিক প্রশাসনিক টানাপোড়েন কাটিয়ে বিসিসিআই এবং আইসিসির সঙ্গে পুনরায় সুসম্পর্ক স্থাপনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বিসিবি প্রধান। জানা গেছে, আঞ্চলিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে আইসিসি নিজেই এই সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমিনুল ইসলাম জানান, এই হাই-প্রোফাইল ম্যাচের আমন্ত্রণ সরাসরি আইসিসির পক্ষ থেকেই এসেছে। ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বিশ্বকাপের এই বিশাল আবেগকে কাজে লাগিয়ে এশিয়ার প্রভাবশালী সদস্যদের মধ্যে ঐক্য ফেরাতে চাইছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আইসিসি একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আইসিসির প্রধান অংশীদার হলো এই পাঁচটি এশীয় দেশ। ১৫ তারিখের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে তারা চাইছে এশিয়ার পাঁচটি দেশের প্রতিনিধিরাই মাঠে একসঙ্গে উপস্থিত থাকুক, একসঙ্গে বসে খেলা দেখুক এবং একে অপরের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করুক।
এই কৌশলগত সমাবেশের মূল লক্ষ্য হলো সাম্প্রতিক বৈরিতা নিরসন করা এবং মাঠের লড়াইয়ের মতো প্রশাসনিক দিকটিকেও শক্তিশালী রাখা। এশীয় ক্রিকেটের নীতি-নির্ধারকদের একই টেবিলে এবং একই গ্যালারিতে নিয়ে আসার মাধ্যমে আইসিসি আশা করছে, অস্থির সময়কে পেছনে ফেলে এই অঞ্চলের ক্রিকেটে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিন্ন লক্ষ্যের একটি নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
করমর্দন ইস্যুতে বল রোহিতদের কোর্টে ঠেলে দিলেন আগা