তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ২০২৫ সালের মধ্যে তথ্য প্রযুক্তিখাতে ৩০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। এ সালের মধ্যেই আমরা এই খাত থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আয় করবো।
তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন ভূমি অফিস, পুলিশ স্টেশন, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে ফাইবার অপটিকালের আওতায় আনছি।
রোববার (২৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘিওর উপজেলার পঞ্চরাস্তা মোড়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধনকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
পলক বলেন, সারাদেশে এক লাখ ৭০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অপটিকাল ফাইবার ক্যাবলের আওতায় আনা হবে। আমরা ২০২৫ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষকে ইন্টারনেটের আওতায় আনবো।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করে তরুণ-তরুণীরা এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে। প্রতি বছর এই প্রতিষ্ঠান থেকে এক হাজার ছেলে মেয়ের দক্ষতা নির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। দুই একর জমির ওপর ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার, স্কুল অব ফিউচার, ডিজিটাল এডুটেইনমেন্ট সেন্টারসহ দেশের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আগামীতে আমাদের মেধাবী তরুণরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তি রোবটিক্স, আইওটি, সাইবার সিকিউরিটি টুলস তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করবে।
এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাই টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষ।
তিনি বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় মানিকগঞ্জসহ দেশে আরও ১০ জেলায় একসঙ্গে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে।
এসময় মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয়, বাংলাদেশ ডিজেল প্ল্যান্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. রফিকুল ইসলাম, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের পরিচালক একেএম আব্দুল্লাহ খান, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, লার্নিং এন্ড আর্নিং প্রকল্পের পরিচালক মো. হুমায়ুন কবির, জেলা পরিষদের প্রশাসক জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।
একাত্তর/এসি
