গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিনের সঙ্গে তার স্ত্রী নিকোল শানাহানের বিচ্ছেদের পর আলোচনায় এসেছে মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের সঙ্গে নিকোলের সম্পর্কের বিষয়টি। বলা হচ্ছে, স্ত্রীর পরকীয়ার সন্দেহেই তড়িঘড়ি করে তাকে ডিভোর্স দিয়েছেন ব্রিন। তবে, ইলন মাস্ক এবং নিকোল শানাহান বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি তারা শুধুই ‘বন্ধু’।
আদালতে দাখিল করা নথিপত্রের বরাতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পেইজ সিক্স ব্রিন ও নিকোলের বিবাহবিচ্ছেদের খবর জানিয়েছে। এই দম্পতির চার বছর বয়সী এক মেয়ে আছে। তার আইনিসহ সব দায়িত্ব দু’জনের ওপর থাকবে। খবর এনডিটিভির।
২০২২ সালের জুলাইয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিলো এমন, ‘স্ত্রীর সম্পর্কের’ অভিযোগে দুই বন্ধুর সম্পর্কে ভাটা’।
নিকোল ছিলেন ব্রিনের দ্বিতীয় স্ত্রী। ২০১৫ সালে প্রথম স্ত্রী অ্যান ওজসিস্কির সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটে। ওই বছরই নিকোলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান ব্রিন। ২০১৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা।
বিয়ের তিন বছরের মাথায় ২০২১ সালে আলাদা হয়ে যান ব্রিন ও নিকোল। পৃথক জায়গায় থাকতেও শুরু করেন তারা। এরপর সামনে এলো এই বিচ্ছেদের সংবাদ।
এক্সে (টুইটার) দেয়া এক পোস্টে ইলন মাস্ক বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, ‘সের্গেই ও আমি এখনো বন্ধু। গত রাতেও আমরা একসঙ্গে পার্টি করেছি। বিগত তিন বছরে নিকোলের সঙ্গে আমার মাত্র দু’বার দেখা হয়েছে। দুবারই অনেক লোকের মধ্যেই আমাদের সাক্ষাৎ হয়েছিলো। এর মধ্যে প্রণয় ঘটিত কোনো সম্পর্কের বিষয়ই নেই।’
ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে একই মাসে নিকোলও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, মাস্কের সঙ্গে তার প্রণয় ঘটিত কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক ছিলো না।
মাস্ক ও নিকোলের বিরোধী অবস্থানের পরেও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল তাদের প্রতিবেদনের তথ্যের বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। সংবাদমাধ্যমটি জানায়, যেসব সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তারা মাস্ক ও নিকোলের প্রণয়ের সম্পর্ক নিয়ে প্রতিবেদন করেছে, সেসব সূত্রে তাদের আস্থা আছে। নিজেদের অবস্থানে তারা অনড়।
ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্সের তথ্য অনুসারে, ৫০ বছর বয়সী সার্জে ব্রিন বিশ্বের নবম ধনী ব্যক্তি। তার সম্পদের পরিমাণ ১১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। ৩৪ বছর বয়সী নিকোল একজন আইনজীবী। তিনি বিয়া-ইকো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি।
