সম্প্রতি ঢাকায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের খেলা চলাকালীন পাকিস্তানি পতাকা ও পাকিস্তানের জার্সি গায়ে বাংলাদেশের নাগরিকদের দর্শক গ্যালারিতে উপস্থিত থাকায় ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব মৈত্রী।
সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেন, ক্রিকেট মাঠে সমর্থনের নামে পাকিস্তানি প্রেতাত্মাদের পতাকা উড়ানো ও জার্সি পড়া পরিকল্পিত ষড়ষন্ত্র ও রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি।
বুধবার (২৪ নভেম্বর) বিকেল চারটায় বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে এসব কথা বলেন জাতীয় যুব নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সফরকারী পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা অনুশীলনের সময় আয়োজক দেশের মাটিতে পতাকা পুঁততে পারে না।
তারা বলেন, পুরো ঘটনায় বিসিবি ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দায় এড়াতে পারেন না। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী ক্ষোভ জানিয়ে একটা বিবৃতিও দেননি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচিত ছিল বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানি হাইকমিশনারকে তলব করে জোরালো প্রতিবাদ করা। সেইদিন গ্যালারিতে পাকিস্তানি পতাকা উড়ানো এবং জার্সি গায়ে প্রদর্শনকারীরা অবশ্যই রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে অপরাধী। এখনও সেই দর্শকদের কাউকেই গ্রেপ্তার বা বিচারে আওতায় আনা হয় নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে পাকিস্তানি অপতৎপরতা জাতিকে হতাশ করেছে।
আরও পড়ুন: রিসোর্ট ছাড়াও বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ করে মামুনুল: আদালতে ঝর্ণা
সংগঠনের সভাপতি সাব্বাহ আলী খান কলিন্সের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন সভাপতি হাফিজ আদনান রিয়াদ, জাতীয় যুব জোট সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন, বাংলাদেশ যুব আন্দোলন সহ-সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন সৈকত, জাতীয় যুব ঐক্য সভাপতি খায়রুল আলম, বাংলাদেশে যুব মৈত্রীর সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক, কায়সার আলম। সঞ্চালনা করেন যুব মৈত্রীর সহ-সাধারণ সম্পাদক তাপস দাস।

কর্মসূচির শেষে পাকপ্রেমি ও ষড়যন্ত্রকারীদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও ধৃষ্টতার প্রতিবাদে পাকিস্তানের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন স্বরূপ জাতীয় যুব নেতৃবৃন্দ ও যুব মৈত্রীর কর্মীদের উপস্থিতিতে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকায় অগ্নিসংযোগ করা হয়।
একাত্তর/এসি
