ঢাকার দোহারের লটাখোলা এলাকায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে মারধর করে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী বাহারুল ইসলাম হিরু’র বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দোহার থানায় মামলা করেছেন স্ত্রী নুপুর সুলতানা। নুপুর সুলতানা পেশায় একজন শিক্ষিক।
গত বিশ বছর আগে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ চৌকিঘাটা এলাকার মো. জালাল উদ্দিনের মেয়ে নুপুর সুলতানার সঙ্গে দোহার উপজেলার লটাখোলা এলাকার গুঞ্জর আলীর ছেলে বাহারুল ইসলাম হিরুর বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকে কয়েক দফায় এ পর্যন্ত ১৮ লাখ টাকা শ্বশুরবাড়ি থেকে যৌতুকসহ ধার নেয় বাহরুল। ধারের টাকা শোধ না করেই পুনরায় যৌতুকের টাকার জন্য নুপুরকে চাপ দিতে থাকেন স্বামী। এছাড়া বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে স্ত্রীকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনও করে আসছিল বলে অভিযোগ নুপুরের পরিবারের।
সবশেষ গত মঙ্গলবার ওই শিক্ষিক শ্বশুরবাড়ি এলে একই অযুহাতে তাকে মারধর করে স্বামী। এসময় ঘরে থাকা কাঁচি দিয়ে তার মাথার সব চুল কেটে দেন স্বামী বাহারুল। নুপুর সুলতানা পালিয়ে গিয়ে তার বাবাকে জানালে তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরে ওই শিক্ষিকা বাদী হয়ে দোহার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেন। যেখানে যৌতুকের কথাও উল্লেখ্য করা হয়েছে।
গত বুধবার রাতে মামলা হওয়ার পরেই তার স্বামী বাহারুলকে দোহার থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠিয়েছেন বলে জানান দোহার থানা ওসি তদন্ত এসএম কামরুজ্জামান।
