রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মস্তিষ্ক বলা হয় আলেকজান্ডার ডুগিনকে।
তার পরামর্শেই ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ক্রেমলিন।
এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে কিভাবে দুর্বল করা যায়, চীনের আধিপত্য ঠেকিয়ে রুশ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার কৌশলও পুতিনকে বাতলে দিয়েছেন এই কট্টর রুশ জাতীয়তাবাদী দার্শনিক।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে আবারো আলোচনায় আলেকজান্ডার ডুগিন। ষাটোর্ধ্ব এ ব্যক্তি কট্টর রুশ জাতীয়তাবাদী কৌশলবিদ, দার্শনিক।
তার পরামর্শে ক্রিমিয়াকে ২০১৪ সালে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। চলমান রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ্বও তারই পরামর্শে।
সম্প্রতি কিয়েভ থেকে সামরিক শক্তি সরিয়ে ডনবাসে অবস্থান জোরদার করে রুশ বাহিনী। এ বিষয়ে ডুগিন জানান, এ সিদ্ধান্ত সাময়িক।

নতুন কমান্ডারের অধীনে রুশ সামরিক শক্তি পুনর্গঠনই লক্ষ্য। ইতোমধ্যে রুশ রণতরীতে হামলার পর ইউক্রেনে আক্রমণ জোরদার করেছে মস্কো।
রুশ প্রেসিডেন্টের উপর ডুগিনের এতোটাই প্রভাব, পশ্চিমা বিশ্লেষকরা তাকে পুতিনের মস্তিষ্ক বলছেন। গত কয়েক বছর ধরে ক্রেমলিনের নীতিতে প্রভাব রাখছেন তিনি।
ইউরোপীয় ইউরোশিয়া বিরোধী রুশ মুভমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা ডুগিন। ২০১৫ সালে ডুগিনসহ রুশ মতাদর্শীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
জিয়োপলিটিকা নামের ওয়েবসাইট রয়েছে ডুগিনের। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, যার মাধ্যমে পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়।
ইউক্রেনে রুশ হামলার কয়েকদিন আগে এক নিবন্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ উস্কে দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটোকে দায়ী করা হয়।

ডুগিনের মেয়ে দারিয়া দুগিনা ইউনাইটেড ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনালের সম্পাদক। কিছু দিন আগে তিনি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে প্রবন্ধ লেখার জন্য আহ্বান জানান। তিনিও মার্কিন কালো তালিকাভুক্ত।
আরও পড়ুন: হিজাব গুজবে জেলহাজতে সেই প্রধান শিক্ষক
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে আমেরিকার প্রভাব মুক্ত করতে ব্রিটেনকে জোট থেকে সরিয়ে দিতে মস্কোকে কলকাঠি নাড়ার পরামর্শ ১৯৯৭ সালেই দিয়েছিলেন ডুগিন।
