লক্ষ্মীপুর-ভোলা রুটে নিয়ম উপেক্ষা করেই চলছে স্পিডবোটে যাত্রী পারাপার। অবৈধ চলাচলের পাশাপাশি স্পিডগুলোর বিরুদ্ধে মনমতো ভাড়া নেয়া ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।
নৌ-পুলিশ বলছে, টহল সরে গেলেই তৎপর হয় স্পিডবোট চক্র। এদিকে যাত্রীর অপেক্ষায় দীর্ঘ সময় ঘাটেই পড়ে থাকে লঞ্চ।
ঝুঁকি থাকায় ১৫ মার্চ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ভোলার নদীগুলোতে ট্রলার ও স্পিডবোট চলাচল নিষিদ্ধ। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌপথে ট্রলার ও স্পিডবোট চলছে।
বিআইডব্লিউটিএ সূত্র বলছে, ১৫ মার্চ থেকে ১৫ অক্টোবর ভোলার নদীগুলো বিপজ্জনক অঞ্চলের আওতায় পড়ে। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া এবং সাগর মোহনায় লাইসেন্সহীন নৌযান যাত্রী চলবে না।
নিষেধাজ্ঞা না মানায় এই নৌপথে বড় ধরনের দুর্ঘটনায় যাত্রীদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে মনমতো ভাড়া নেয়া ও হয়রানির অভিযোগও রয়েছে।
স্পিডবোটের শ্রমিকেরা যাত্রীদের নানাভাবে ভয় দেখিয়ে ফেরিতে উঠতে বাধা দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছে এই পথে চলাচলকারি যাত্রীরা।
ঘাটে যাত্রী আসা মাত্র নানাভাবে ভয় দেখিয়ে তাদের স্পিডবোট ও ট্রলারে ওঠার আহ্বান জানায় স্পিডবোটের শ্রমিকেরা। যাত্রীরাও দ্রুত নদী পার হতে স্পিডবোটের ঘাটের দিকে ছুটছেন।
অবস্থা এমনই যে, লঞ্চ পরিচালনাকারীদের দাবি, স্পিডবোটের যাত্রীদের কারণে সময়মত লঞ্চ ছাড়তে সমস্যা হয়। কারণে বেশিরভাগ যাত্রীকে স্পিডবোটের শ্রমিকরা নিয়ে নেয়।
নৌ-পুলিশের চাঁদপুর অঞ্চলের এসপি বলছেন, স্পিডবোট চক্র তাদের টহল না থাকার সময়ই তৎপরতা বাড়িয়ে দেয়। চেষ্টা চলছে চক্রটিকে ধরার।
লক্ষীপুর মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চঘাট থেকে ভোলার ইলিশায় প্রতিদিন প্রায় ৩০০ স্পিডবোট আসা যাওয়া করে।
একাত্তর/এআর
