জাতীয় ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানের খবর পেয়েই চালের আড়ত ফেলে পালিয়ে গেছেন মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের কয়েকজন ব্যবসায়ী।
শুক্রবার (৩ জুন) সকালে রাজধানীতে চালের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে বাজার তদারকি করতে অভিযানের শুরুর পরপরই এই ঘটনা ঘটে।
অভিযানের খবর বাজারে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের দোকান ফেলে রেখে উধাও হয়ে যান বেশিরভাগ পাইকারি ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাও নেয়নি অধিদপ্তর।
মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে হাজি রাইস এজেন্সি। জাতীয় ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তর সেখানে অভিযান গিয়ে দেখে, দোকান ফাঁকা মালিক নেই। দো
কানের প্যাডে দেয়া নম্বরে কল করলে আড়তের মালিক দাবি করেন, তিনি দোকান খোলা রেখেই নাকি ঢাকার বাইরে গেছেন। তার মতো আরও অনেক ব্যবসায়ীও আড়ত থেকে সটকে পড়েন।
এর আগে চালের এই পাইকারি বাজারের তিনটি দোকানে মূল্য তালিকার অনিয়ম, চাল কেনার রশিদ না থাকার মত নানা অভিযোগে জরিমানা করা হয় এক লাখ ২০ হাজার টাকা। যদিও আড়তদারদের অভিযোগ কারসাজি করছে মিল মালিকরা।
অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস বলেন, বেশিরভাগ দোকানে মূল্যতালিকা নেই, চাল কেনার রশিদ নেই, নেই ভাউচার।
এমন অভিযোগে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, মিল ও আড়তে অভিযানের ফলে প্রমাণ মিলেছে পরস্পরের যোগসাজশে চালের দাম বেড়েছে। এ বিষয়েও তারা ব্যবস্থা নিতে নিতে যাচ্ছেন।
তবে পালিয়ে যাওয়া মালিকদের কাউকে জরিমানা বা কোন শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। এ নিয়ে ভোক্তা অধিকারের এই কর্মকর্তা জানান, তাদের দিয়েই শুরু হবে আগামীতে অভিযান। গুরুতর অভিযোগ পেলে নিয়মিত মামলা ও লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
এছাড়া, চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে শিগগিরই বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও মিল মালিকদের সাথে বৈঠক করার কথা বলছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
একাত্তর/এসজে
