ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শেষ ২০ মাসে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। এর ফলে করোনা পরবর্তী সময়ে দেশটির বাজার আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
শুক্রবার দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, জুলাইয়ের প্রথম দুই সপ্তাহে ভারতের রিজার্ভ ১৫.৫ বিলিয়ন ডলার কমেছে।
ব্লুমবার্গ ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চলতি মাসের ১৫ জুলাই পর্যন্ত দেশটির রিজার্ভ আরও ৭.৫ বিলিয়ন ডলার কমে ৫৭২.৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালের ৬ নভেম্বর ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৫৬৮ বিলিয়ন ডলার। আর ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রিজার্ভ ৬৪২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল।
দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেছেন, রুপির বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যথেষ্ট আছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন: গণভবন ঘেরাও করতে এলে বিএনপিকে চা খাওয়াবো: হাসিনা
তবে শক্তিকান্ত দাস রিজার্ভ নিয়ে শঙ্কা উড়িয়ে দিলেও, ডলারের বিপরীতে রুপির দর পতনের নতুন রেকর্ড হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত রুপির মান ডলারের বিপরীতে প্রায় ৭ শতাংশ কমেছে।
অন্যদিকে করোনাভাইরাসের ঢেউয়ে বিপর্যস্ত দেশটিতে বাড়ছে বেকারের সংখ্যা। মূল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধও প্রভাব ব্যাপক ফেলেছে দেশটির অর্থনীতিতে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে সংকট আরও বাড়বে। মূল্যস্ফীতি, বাহ্যিক ঘাটতি এবং কোম্পানির মুনাফার উপর প্রভাব নিয়ে এই পতন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
একাত্তর/আরবিএস
