হঠাৎ করে ইউরিয়া সারের দাম কেজিতে ৬ টাকা ও বস্তায় ৩শ’ টাকা বেড়ে যাওয়ায়, মজুদদার ও ব্যবসায়ীরা কিছুটা সংকট দেখিয়ে পূর্বের মজুদ রাখা সার নতুন দামে বিক্রির নানা কৌশলে নিয়েছেন। কেউ দোকান বন্ধ রাখছেন কেউ বা আবার বলছেন দোকানে সার নেই।
মজুদদারা বেশি দামে বিক্রির আসায় দিন গুনছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সার বিক্রি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে জেলা কৃষি বিভাগ বলছেন, সারের কোনো সংকট নেই, নিয়মিত মনিটরিং করা হয়।
কৃষি পণ্য উৎপাদনে বীজ, সার, কীটনাশক, জালানি তেলসহ চাষের প্রয়োজনীয় খরচ অনেক বেশি হওয়ায় কৃষকরা এমনিতেই হিমশিম খাচ্ছেন। এরই মধ্যে হঠাৎ করে ইউরিয়া সার প্রতিবস্তা ৮শ’ টাকা থেকে বেড়ে ১১শ’ টাকা সরকার নির্ধারিত করায় কিছুটা বিপাকে পড়েছেন এখানকার কৃষকরা।
এই সুযোগে ছোট-বড় ব্যবসায়ীরা আগের দামের মজুদ করা সার বেশি দামে বিক্রি করার জন্য নিয়েছেন নানা কৌশল। সাধারণ কৃষকরা চান ভোগান্তি ছাড়ায় সার দেওয়া হোক।
আরও পড়ুন: কক্সবাজার সৈকতে ভেসে আসছে জেলিফিশ
জয়পুরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সারের কোনো সংকট নেই, নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, জয়পুরহাটে এ মৌসুমে ৬৯ হাজার ৭শ’ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের জন্য ৩ মাসে ৮ হাজার ৬৯৫ মেট্রিকটন ইউরিয়া সার মজুদ আছে।
একাত্তর/আরএ
