শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা হলো ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীর।
শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার পোড়াগাঁও গ্রামে এ বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পোড়াগাঁও গ্রামের ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীর সাথে ধোপাকুড়া গ্রামের হযরত আলীর ছেলে ফরহাদ আহমেদ খালেকের (২০) বিয়ের আয়োজন চলছিল। পরে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জরুরী সেবার নম্বরে (৯৯৯) ফোন করে বিষয়টি নালিতাবাড়ী থানা পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ কনের বাড়িতে গিয়ে অভিভাবকদের সাথে কথা বলে ওই বিয়ে বন্ধের ব্যবস্থা করেন।
তবে স্থানীয় অপর একটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) ১২ বছর বয়সী ওই কিশোরীর জন্ম ২০০২ সালে দেখিয়ে ভুয়া জন্ম নিবন্ধন বানিয়ে রেজিস্ট্রির কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে বরের বাড়িতে পাঠানোর কথা ছিল।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে বিয়েবাড়িতে বজ্রপাতে সাতজন আহত
এ প্রসঙ্গে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে বাল্য বিবাহটা বন্ধ করা হয়েছে। কনের বাবা-মাকে বুঝানোয় তারা মেনে নিয়েছেন এবং বাল্য বিবাহ দিবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন।
নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হেলেনা পারভীন জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নের স্কুল ও মাদ্রাসায় গিয়ে বাল্য বিয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ৯৯৯, প্রশাসন ও পুলিশের নম্বরও তাদেরকে দেয়া হচ্ছে যাতে তারা সমস্যায় পড়লে সাহায্য চাইতে পারে।
একাত্তর/জো
