পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক গৃহবধূকে আটকে রেখে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগী নারীকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে আসামিদের আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপাড়া গ্রামের এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- শহিদুল ইসলাম (৩৬), মালেক হাওলাদার (৫০) ও আলমগীর হোসেন (৩৬)।
মামলার বরাত দিয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম জানান, গত ২৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত অভিযুক্তরা ওই নারীকে মালেক হাওলাদারের খালি বাসায় আটকে রেখে ধর্ষণ করেন।
এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, নারায়ণগঞ্জের রসুলপুর পাগলা এলাকার ওই গৃহবধূর সাথে তার স্বামীর কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ বিরোধ মোটানোর জন্য তার ফ্ল্যাটের এক নারীর মাধ্যমে তার শহিদুলের সাথে পরিচয় হয়।
এরপর শহিদুল এক ফকিরের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে এ সমস্যা সমাধান করে দেয়ার আশ্বাস দেন। তিনি ওই টাকা নিয়ে ওই গৃহবধূকে গত ২৩ সেপ্টেম্বর কলাপাড়া নিয়ে আসেন।
পরদিন সন্ধ্যায় ফকিরের কাছে তদবির আনতে যেতে হবে বলে ওই গৃহবধূকে মালেকের খালি বাসায় নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণ করেন আসামিরা। এ ঘটনা কাউকে জানালে তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়।
আরও পড়ুন: পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার ১৫ বস্তা টাকা
পরদিন তাদের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে ওই নারী ঢাকায় গিয়ে তার অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তারা কলাপাড়ায় এসে পুলিশকে বিষয়টি জানান ও মামলা দায়ের করেন।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, গৃহবধূর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তারা ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছেন। গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে এবং আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একাত্তর/এসজে
