যুদ্ধের ময়দানে প্রেমের গোলাপ ফোটার খবর নতুন কিছু নয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শুরু থেকেই এমন খবর বারবার শিরোনাম হয়েছে, সামনেও হবে।
এবার গোলা-বারুদের গন্ধের মধ্যেই নতুন জীবন শুরু করলেন ইউক্রেনের দুই সেনা। খারখিভের যুদ্ধ ময়দানে দাঁড়িয়েই তারা বললেন, ‘আই ডু’।
যুদ্ধ বলে কথা, যেখানের জীবনের নিশ্চয়তা একেবারেই ভঙ্গুর। যে কোনও মুহূর্তে থেমে যেতে পারে মায়াবী জীবন। তবুও যুদ্ধের ময়দানে দাঁড়িয়েই আমৃত্যু সঙ্গে থাকার শপথ নিলেন তারা।
৩১ বছরের এমারেল্ড এভজেনিয়াকে দেশের ‘জোয়ান অফ আর্ক’ বলছে ইউক্রেনের গণমাধ্যম। যুদ্ধ আগেও ছিলেন এক সাধারণ নাগরিক। এখন অস্ত্র হাতে লড়ছেন দেশরক্ষায়।

যুদ্ধ শুরু হবার প্রথম দিকেই এভজেনিয়া যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। তারপর থেকে তার জীবনে নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠে বন্দুক-গোলাবারুদ । রাত কাটে সেনা ক্যাম্পে, কখনও নির্জন বাঙ্কারে।
যুদ্ধের ময়দানেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় এভজেনি স্টিপানিউকের। পরিচয় থেকে পরিণয় হতে সময় লাগেনি। আর ১৪ অক্টোবর খারভিভের একটি জঙ্গলে বিয়ে সারেন এমারেল্ড-এভজেনি।
আরও পড়ুন: রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে অতি মাত্রায় সতর্ক পশ্চিমারা
গত ফেব্রুয়ারি মাসে সহযোদ্ধা এভজেনিকে প্রেম নিবেদন করেন তরুণী এমারেল্ড। উভয়ে বাকদান পর্ব সারেন গত আগস্ট মাসে। অবশেষে ১৪ অক্টোবর বিয়ে করেন তারা।
বিয়ের পর উচ্ছ্বসিত এমারেল্ড বলেন, শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে আমি একজন সেনার স্ত্রী হলাম। ঘটনাটি ঘটল যুদ্ধক্ষেত্রে। এর চেয়ে ভাল ভাবে বিয়ে হতে পারত না।

সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এমারেল্ডের সাদা লম্বা ঝুল বিয়ের পোশাক ও সেনার উর্দি পরা স্বামীর ছবি। সদ্য বিবাহিতা যুবতীর হাতে ফুলের বদলে ছিলো গম গাছের চারা।
একাত্তর/আরএ
