বায়ু ও শব্দ দূষণ রোধে লোক দেখানো অভিযান করছে পরিবেশ অধিদপ্তর। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই অভিযান চলে মাত্র দুই ঘণ্টা।
জরিমানা করার পর ওপর মহলের ফোনে আবার কমে যায় অঙ্ক। রাজধানীর বায়ু ও শব্দ দূষণ নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশের পর দায়সারা অভিযান করছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি দূষণের শহর হিসেবে ঢাকা টানা এক সপ্তাহ শীর্ষে থাকার পর, হাইকোর্ট পরিবেশ অধিদপ্তর কি করছে তা জানাতে নির্দেশ দেয়।
সেই নির্দেশনার পরই মূলত রাজধানীতে শুরু হয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। রাজধানীর ছয়টি এলাকায় দ্বিতীয় দিনের মত এই অভিযান পরিচালিত হয়।
আফতাব নগরে অভিযান শুরু হয় সকাল ১১টার পর। বালু পাথরের নির্মাণ সামগ্রী রাস্তায় রেখে বায়ুদূষণের অপরাধে পর পর চার বাড়িকে জরিমানা করা হয় পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা করে।
একই সড়কের অন্য একটি বাড়ির সামনেও ছিল বালু ও পাথর। প্রথমে দশ হাজার টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত দেয় নির্বাহী হাকিম। সেই অনুযায়ী কাগজপত্র তৈরি হচ্ছিল।
কিন্তু হঠাৎ করেই আসে একটি ফোন। নির্বাহী হাকিমকে একটু দূরে সরে গিয়ে কথা বলতে দেখা যায়। এরপরই সিদ্ধান্ত বদলে জরিমানা হয় মাত্র দুই হাজার টাকা।
আরও পড়ুন: জাপানি শিশু লিনা বাবা-মার সঙ্গে ভাগাভাগি করে থাকবে
যদিও একই অপরাধে অন্যদের জরিমানা করা হয় পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত। নির্বাহী হাকিমের সাথে কথা বলতে চাইলে তার অনলাইন মিটিং আছে বলে গাড়িতে চলে যান।
এভাবে দু’ঘণ্টারও কম সময় অভিযান করে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের কাজ শেষ করেন। শুধু ভবন নির্মাণ নয় আফতাব নগরের মুল সড়কের বিভাজন দীর্ঘ দিন সংস্কার না করায় সেখান থেকেও দূষণ বাড়ছে। যদিও এসব নিয়ে তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
একাত্তর/এসজে
