নেপালের উপপ্রধানমন্ত্রী রাজেন্দ্র লিংডেনসহ আরও তিন মন্ত্রী পদত্যাগ করায় বিপাকে পড়েছে ক্ষমতাসীন জোট।
শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন। খবর: আল-জাজিরা।
শুক্রবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহল বলেন, তিনি আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমিউনিস্ট ইউনিফায়েড মার্ক্সিস্ট লেনিনিস্ট (ইউএমএল) পার্টির প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার বদলে বিরোধী দল নেপালি কংগ্রেস পার্টির প্রার্থী রামচন্দ্র পাউডেলকে সমর্থন দেবেন। এর প্রেক্ষিতে জোটে ফাটল ধরে। এর পরদিন উপপ্রধানমন্ত্রী ও অন্য তিন মন্ত্রী পদত্যাগ করেন।
রাজেন্দ্র লিংডেনের সঙ্গে পদত্যাগ করেন নগর উন্নয়নমন্ত্রী, আইনবিষয়ক মন্ত্রী ও একজন উপমন্ত্রীও। রাজেন্দ্র বিদ্যুৎ, পানিসম্পদ ও সেচবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা যে জোট সরকারে যোগ দিয়েছিলাম, তা আর টিকে নেই। সরকারে অব্যাহতভাবে থাকা এখন আর যথার্থ নয়।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর কারণে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক সমস্যায় পড়বেন বলে মনে হয়না। তবে এতে নতুন একটি জোট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে মন্ত্রীদের এসব পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন কি না, তাও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে তুষারঝড়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে পাঁচজন নিহত
উল্লেখ্য, আগামী ৯ মার্চ নেপালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। গত বছরের নভেম্বরে দেশটিতে সংসদ নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু এতে কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এর ফলে পুষ্প কমল দহলের নেতৃত্বে জোট সরকার গঠিত হয়।
একাত্তর/জো
