কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাখমুত দখলের পর ইউক্রেনজুড়ে গণহারে মিসাইল হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। যদিও শহরটি এখনো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে বলে জানিয়েছে কিয়েভ।
এদিকে, ন্যাটো প্রধান জানান, কয়েকদিনের মধ্যে বাখমুতের পতন ঘটবে। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সতর্ক করেন, বাখমুত হাতছাড়া হলে আশপাশের শহর দখল মস্কোর জন্য সহজ হয়ে যাবে।
উত্তরের খারকিভ থেকে দক্ষিণের ওডেসা, পশ্চিমের জাইটোমির পর্যন্ত ইউক্রেনজুড়ে বিভিন্ন স্থাপনায় গণহারে মিসাইল হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
বৃহস্পতিবার সকালের হামলা থেকে বাদ যায়নি বেসামরিক স্থাপনা। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দা। ইউক্রেনজুড়ে হামলার পাশাপাশি বাখমুতে চলছে দুপক্ষের তীব্র লড়াই।
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেন, বাখমুত কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়ার দখলে গেলে আশপাশের শহর রুশ বাহিনীর জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
ন্যাটো প্রধান জেন্স স্টোলটেনবার্গ জানান, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পতন ঘটবে বাখমুতের। জয়ের জন্য রাশিয়া সৈন্য সংখ্যা বাড়িয়েছে, শক্তি বাড়িয়েছে।
বাখমুত লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে রুশ ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান জানান ইয়েভজেনি প্রিগোজিন। তিনি বলেন, রুশ বাহিনী বাখমুতের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
যদিও এ দাবি অস্বীকার করেছে ইউক্রেন। মার্কিন কর্মকর্তা এভ্রিল হেইনেস সিনেটের শুনানিতে বলেন, বাখমুত দখল মানে রাশিয়ার যুদ্ধজয় নয়।
এদিকে, ইউক্রেনের জন্য গোলাবারুদ এবং নিজেদের মজুদের ঘাটতি পূরণে যৌথভাবে আরো এক বিলিয়ন ইউরো মূল্যের অস্ত্র তৈরি জন্য সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইইউ।
আর নর্ড স্ট্রিম হামলার জন্য গত কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করা হচ্ছিলো। নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ইউক্রেনপন্থীরা এ হামলা চালিয়েছে। জেলেনস্কির সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি।
এসবের মধ্যই কিয়েভ সফরের পর শস্য রপ্তানি চুক্তি নবায়নে আলোচনার জন্য রাশিয়া যাচ্ছেন জাতিসংঘের বাণিজ্যবিষয়ক এক সিনিয়র কর্মকর্তা।
সংস্থার মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শস্য রপ্তানিকারক ইউক্রেন। চুক্তি নবায়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
একাত্তর/এআর
