চতুর্থ ধাপে প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহার পাচ্ছে আরও প্রায় ৪০ হাজার পরিবার। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তাদের এই ঘর দেয়া হচ্ছে। বুধবার (২২ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তাদের হাতে এই ঘর তুলে দেবেন। চতুর্থ পর্যায়ে ৩৯ হাজার ৩৬৫টি ঘর হস্তান্তর করা হবে। এর মাধ্যমে মোট ২ লাখ ১৫ হাজার ৮২৭টি ঘর দেয়া হবে। এর আগে তিন দফায় এক লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি পরিবারকে জমিসহ ঘর দেয়া হয়।
গাজীপুরে শ্রীপুর উপজেলায় নয়াপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নওয়াগাঁও এবং বরিশালের বানারীপাড়ার উত্তরপাড় প্রকল্পে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে, মুজিববর্ষে এসব ঘর উপহার দেয়া হচ্ছে।
ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষে ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ণ নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, যা প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।
মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি ৬০ হাজার ১৯১টি ঘর, ২০ জুন ৫৩ হাজার ৩০০টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মিত মোট ঘরের সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ২৯টি।
১৯৯৭ সাল থেকে এই প্রকল্পের আওতায় ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯৭ টি পরিবার পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। আশ্রয়ণ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়/সংস্থাসহ গৃহ নির্মাণ করে ১৯৯৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত পুনর্বাসন করা হয়েছে ৭ লাখ ৭১ লাখ ৩০১ টি পরিবারকে। পাঁচ জন এক পরিবার হিসেবে সেই জনসংখ্যা ৩৮লাখ ৫৬ হাজার ৫০৫ জন।
তৃতীয় পর্যায়ে নির্মাণ করা একক ঘরের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৬৭৪টি। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি হস্তান্তর হয়েছে গত বছরের ২৬ এপ্রিল এবং ২য় ধাপে ২১ জুলাই জমির মালিকানাসহ ২৬ হাজার ২২৯টি হস্তান্তর করা হয়। বুধবার চতুর্থ পর্যায়ে হস্তান্তর হচ্ছে ৩৯ হাজার ৩৬৫টি ঘর।
প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়সহ মোট হস্তান্তরিত একক গৃহের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৮২৭টি। চতুর্থ পর্যায়ে অবশিষ্ট নির্মাণাধীন গৃহের সংখ্যা ২২ হাজার ৬টি। এ পর্যায়ে চরাঞ্চলে বিশেষ ডিজাইনের গৃহের সংখ্যা এক হাজার ৩৭৩টি এবং পার্বত্যঞ্চলে ৬৩৪টি।
একাত্তর/এসি
