এই প্রথম বরিশাল-ঢাকা নৌপথে চলাচল করা বিলাসবহুল লঞ্চে ঈদযাত্রায় কেবিনের টিকেট নিয়ে মাতামাতি নেই। কেবিনের জন্য নেয়া হয়নি আগাম স্লিপ। পছন্দের লোকদের কেবিনের টিকেট দেয়া হয়, ঈদ এলেই যাত্রীদের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিনের সেই অভিযোগও নেই। সেইসাথে ঈদের স্পেশাল সার্ভিসে লঞ্চের সংখ্যাও নেমে আসবে অর্ধেকে।
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে প্রতিবছর ঈদের অন্তত তিন সপ্তাহ আগে থেকে আগাম স্লিপ নিতে হতো লঞ্চ কেবিনের টিকেট পেতে। সেসময় লঞ্চের টিকেট বলতে ছিল সোনার হরিণ। যা পেতে কালোবাজারে বাড়তি দামও গুনতে হতো।
তবে যাত্রীরা বলছেন, এবারের ঈদে সেই চিত্র একেবারেই ভিন্ন। বুকিং অফিসে এসে বা মুঠোফোনে যোগাযোগ করে সহজেই টিকেট পাচ্ছেন তারা।
লঞ্চের টিকেট ক্লার্করা জানান, তারা ৮ এপ্রিল থেকে কেবিনের টিকেট বিক্রি শুরু করেছেন। তবে ১৮ এবং ১৯ এপ্রিলের টিকেটের চাহিদা বেশি থাকলেও দিতে পারছেন তারা। যারা কেবিনের টিকেট চেয়েছে তাদেরকে ফোন করে নেয়ার জন্য বলা হচ্ছে।
আর লঞ্চ মালিকরা বলছেন, ৮ এপ্রিল তারা কেবিন ও সোফার ভাড়া নির্ধারণ করলেও ডেকের ভাড়ার বেলায় সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে কেবিন ও সোফার ন্যায় ডেকের ভাড়াও সরকার নির্ধারিত ৪৫২ টাকার চেয়ে কম রাখবেন বলে জানান তারা।
সুন্দরবন নেভিগেশনের পরিচালক আখতার হোসেন আখেজ বলেন, ঈদে স্পেশাল সার্ভিসে ১৭ থেকে ২৭ এপ্রিলে জন্য ২০টি লঞ্চ থাকলেও এবার সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১২টি লঞ্চ চলাচল করবে।
আরও পড়ুন: অশুভ শক্তি থেকে মুক্তি কামনায় মুখোশ নাচ
এদিকে, প্রতিবারের ন্যায় এবারো ঈদযাত্রায় যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি ফেরা এবং কর্মস্থলে যাবার জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যেই সভা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
বরিশাল নদী বন্দরের কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক জানান, এ লক্ষ্যে বিআইডব্লিউটিএ-সহ সরকারের ছয়টি সংস্থা সমন্বয় করে কাজ করবে।
একাত্তর/এসজে
