ঝিনাইদহে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।
শহরের আরাপপুর ধোপাপাড়া এলাকার ওই ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় সীমা খাতুন নামের ওই নারীর।
নিহত নারী একই এলাকার জহুরুল ইসলামের স্ত্রী।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সোহেল রানা জানান, ধোপাপাড়াতে স্বামী জহরুল তার স্ত্রীকে নিয়ে ওই ভাড়া বাসায় থাকতেন। নেশাগ্রস্থ থাকা ও পারিবারিক কলহের জেরে আজ দুপুরে স্বামী তার স্ত্রী সীমা খাতুনকে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে।
প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জহুরুল পলাতক।
তবে এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
আরও পড়ুন: চার বোর্ডের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. মুসলিমা জিনাত রহমান জানান, সীমা খাতুনের মাথা ও শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মাথায় আঘাতের কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।
একাত্তর/আরএ
