ছাতক থেকে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন কোন এলাকা দিয়ে যাবে, তা নিয়ে সরকারের দুই শীর্ষ মন্ত্রীর দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, সুনামগঞ্জের পাঁচ সংসদ সদস্যের সাথে পরিকল্পনামন্ত্রীর দ্বন্দের কারণেই বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেছেন, বড় প্রকল্প নিয়ে তার কোনো মাথাব্যাথা নেই। কারো সঙ্গে কোনো মতবিরোধ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক পর্যন্ত ১৯৫৪ সাল থেকেই রেললাইন আছে। একে সুনামগঞ্জ সদর পর্যন্ত টেনে নিয়ে জেলা সদরকে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত করা হবে। ২০১১ সালে তৎকালীন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের সময় এ নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়।
৬ জুন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনকে আধা সরকারিপত্র বা ডিও লেটার দেন সুনামগঞ্জের পাঁচ সাংসদ। এরপর ১০ জুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাঁচ সাংসদের দাবি যৌক্তিক বলে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দেন।
তারপর ১৪ জুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এ নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। গত রোববার (২০ জুন) ফেসবুকেই সেই স্ট্যাটাসের জবাব দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
এরপর ফেইসবুকের সেই আলাপ জাতীয় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। মঙ্গলবার (২২ জুন) একনেক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনেও এনিয়ে কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী।
তিনি জানান, তাদের মধ্যে কোনও মতভেদ নেই। তারা এখনও বন্ধু। দুজনেই মন্ত্রিসভায় আছে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আশা করেন খুব শিগগিরই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ফেসবুকে স্ট্যাটাসের কারণে খুব বড় কিছু হয়ে যায়নি বলেও দাবি করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।
একাত্তর/আরবিএস
