দক্ষিণ ইউক্রেনের বিশাল কাখোভকা বাঁধ ধসের ফলে রাশিয়ান-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে আটজন নিহত হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে প্রায় ছয় হাজার মানুষকে।
শুক্রবার খেরসন প্রদেশে রাশিয়ার নিযুক্ত প্রধান ভ্লাদিমির সালদো বলেন, ভাটির দিকে বাঁধের সংলগ্ন নোভা কাখোভকা শহরে বন্যার পানির স্তর মঙ্গলবারের চেয়ে আট ফুটের বেশি নেমে গেছে।
তবে দিনিপ্রো নদীর মুখে খেরসনের উল্টোদিকে ইউক্রেনীয়-নিয়ন্ত্রিত শহর ওলেশকি এবং হোলা প্রিস্তানে পানির স্তর সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তিনি।
টেলিগ্রামের একটি পোস্টে সালদো অভিযোগ করেন, ইউক্রেন রাশিয়ান-নিয়ন্ত্রিত দিনিপ্রো নদীর তীরে উদ্ধারকারীদের ওপর গোলাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে।
সালদো আরও বলেন, বন্যার পানি কমতে আরও ১০ দিন লাগবে এবং খেরসনের রুশ-নিয়ন্ত্রিত অংশের ১৭টি শহর ও গ্রামে মোট ২২ হাজার ২৭৩টি বাড়ি প্লাবিত হয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার ক্রেমলিন অভিযোগ করে, বন্যার শিকার বেসামরিক লোকদের ওপর ইউক্রেনের ক্রমাগত গোলাবর্ষণে এক গর্ভবতী নারীসহ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ব্যাপারে কিয়েভের কাছ থেকে তাত্ক্ষণিকভাবে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মস্কোর বাহিনীর বিরুদ্ধে প্লাবিত অঞ্চলে অবস্থিত বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গোলাবর্ষণের অভিযোগ করেছে তারা।
এদিকে, নোভা কাখোভকা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাঁধ ধ্বংসের পর বিশাল এলাকা প্লাবিত হওয়ায় নতুন একটি শঙ্কার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা রেড ক্রস।
আরও পড়ুন: বেলারুশের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের নতুন নিষেধাজ্ঞা
সংস্থাটি বলছে, যুদ্ধকবলিত এসব এলাকায় প্রচুর মাইন পুঁতে রাখা হয়েছিল। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সেগুলোর অবস্থান শনাক্ত করা যাচ্ছে না, যার ফল ভয়ংকর হতে পারে।
রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরের ওপর বাঁধটি উড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনেছে।
একাত্তর/এসজে
