চুয়াডাঙ্গায় প্রতিবেশী পাখিভ্যান চালককে হত্যা করে পাখিভ্যান ছিনতাইয়ের পর বিক্রি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন এক তরুণ। সেইসাথে উদ্ধার করা হয়েছে চালকের মরদেহ।
বুধবার সকালে সদর উপজেলার কতুবপুর গ্রামের একটি খেজুর বাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এর আগে, মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত সোহাগকে (২০) আটক করা হয়।
জানা গেছে, নিহত রুবেল (১৪) সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের ইয়ামিনের ছেলে।
চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল আনিছুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার সরোজগঞ্জ যাওয়ার কথা বলে ভ্যানসহ রুবেলকে নিয়ে বের হন সোহাগ।
এরপর বিকেল পাঁচটার দিকে তাকে কুতুবপুর গ্রামের একটি খেজুর বাগানে নিয়ে মাথায় লাঠির আঘাত করে হত্যা করে পাখিভ্যানটি নিয়ে পালিয়ে যান তিনি।
সন্ধ্যার দিকে দশমাইল বাজারে পাখিভ্যানটি বিক্রি করতে গেলে তার আচরণ স্থানীয়দের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে তিনি পালিয়ে যান।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত দুই, আহত দুই
পরে স্থানীয়রা ভ্যানের গায়ে লেখা ফোন নম্বরে ফোন করে এ ব্যাপারে জানালে পুলিশ রাতেই সোহাগকে আটক করে ও তার দেয়া তথ্যমতে মরদেহ উদ্ধার করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একাত্তর/এসজে
