দুর্দান্ত খেলেও হেরে গেলো বাংলাদেশ। পুরো ৯০ মিনিট লড়াইয়ের পর অতিরিক্ত সময়ের খেলায় কুয়েতে কাছে হেরে যায় জামালরা। ফলে ১৪ বছর অপেক্ষার পর সাফের সেমিতে যেতে পারলেও ফাইনালে আর খেলা হলো। বাংলাদেশকে একমাত্র গোলে হারিয়ে ফাইনালে গেলো কুয়েত।
অতিরিক্ত সময়ে প্রথমার্ধের যোগ করা দ্বিতীয় মিনিটে গোল হজম করে বসে বাংলাদেশ। গোল করেন কুয়েতের আবদুল্লাহ আল বুলুশি। ওই এক গোলেই সাফের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় হয়ে গেছে বাংলাদেশের। সেই সঙ্গে স্বপ্ন ভঙ্গ হয় জামালদের।
শনিবার দুপুরে ব্যাঙ্গালুরুর মাঠে শক্তিশালী কুয়েতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথমেই এগিয়ে যেতে পারতো যদি না সহজ সুযোগ মিস করতেন মোরসালিন। তরুণ ফরোয়ার্ড আসরের শুরু থেকে সবার নজর কাড়লেও সেমিতে কাজে কাজটি করতে পারেননি।
ডান থেকে রাকিবের বাড়ানো বল ধরে একা গোলকিপারকে পেয়েও গায়ে মেরে বসেন তিনি। এই দলে একজন সঠিক স্ট্রাইকার থাকলে প্রথমার্ধেই তারা এগিয়ে যেতে পারতো। হৃদয়, সোহেল, জামালরা প্রতিটা বলের জন্যই লড়াই করছিলেন টেকনিক্যালি উন্নত কুয়েতের বিপক্ষে।
অন্যদিকে কুয়েতের ১১ নম্বর জার্সি আল রশিদি দারুণ ফুটবলার। দেখার মত বল কন্ট্রোল এবং ডিস্ট্রিবিউশন। তিনি বল পেলেই আক্রমণ তৈরি করছিলেন মধ্যপ্রাচ্যের দলটি। কিন্তু বাংলাদেশ ডিফেন্সে তপু বর্মণ এবং বিশ্বনাথ দেখার মত লড়াই করছিলেন। ফয়সাল উঠে আসছেন দ্রুত।
তবে সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ভাগ্য ভালো ছিলো না। না হলে সাত মিনিটের মাথায় যে সুযোগ পেয়েছিলেন রাকিব সেই শট ইনসাইড পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। তবে, কুয়েত বেশ কয়েকটা আক্রমণ তৈরি করে এরপর। কিন্তু গোল আসেনি।
খেলাটা ৬৫ মিনিটের পর অনেক বেশি ওপেন হয়ে যায়। জামাল চোট পেলে তার জায়গায় নামানো হয় ফাহিমকে। বাংলাদেশ গোলরক্ষক কয়টা ক্ষেত্রে ভাল সেভ করেন। ৯০ মিনিট কুয়েতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়াই করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচ চলে যায় অতিরিক্ত সময়।
১০৬ মিনিটে একমাত্র গোলটি করেন কুয়েতের আব্দুল্লাহ। মাটি ঘেঁষা শটে তিনি পরাস্ত করেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক আনিসুরকে। লড়াই করেও সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যেতে হল বাংলাদেশকে। ফাইনালে পৌঁছে গেল কুয়েত।
একাত্তর/এসজে
