ঈদের পর আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ দেখতে চান না অভিবাবকরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের জীবনে নেমে এসেছে হতাশা।
আজ শনিবার (২৬ জুন), রাজধানীর হলিক্রস কলেজের সামনে অবস্থান নিয়ে অভিভাবকরা জানান, করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশগুলোও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছে। গবেষণার তথ্য উপাত্ত নিয়ে যৌক্তিক উপায়েই তারা স্কুলে খুলে দিয়েছে। অথচ দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে, সকাল সাড়ে এগারোটা বাজতেই রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার হলিক্রস স্কুলের সামনে দেখা যায় শত শত শিক্ষার্থী। এসাইনমেন্ট জমা দিতেই তাদের স্কুলে আসা। এসময় শিক্ষার্থীরা জানালো, সপ্তাহে একদিন এসাইনমেন্ট জমা দিতে তাদের স্কুলে আসতে হয়।
আরও পড়ুন: ২৫ লাখ ডোজ মর্ডানার টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ
দুপুর ১২টার দিকে একই চিত্র তেজগার সরকারী বিজ্ঞান কলেজে। প্রধান ফটকের সামনে ও ভেতরে শিক্ষার্থী আর অভিবাবকদের উপস্থিতি। যদিও সবাই এসেছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে। উদ্দেশ্য এ্যাসাইনমেন্ট জমা দেয়া। এভাবে মাসে চারদিন তারা স্কুলে আসছেন। আসছেন শিক্ষকরাও। কেবল বন্ধ আছে শ্রেণীকক্ষে ক্লাস নেয়া। করোনার এই কঠিন সময়ে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আর ঘরবন্দী প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থী। এ নিয়ে মোট ১৮ বার পাল্টেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ।
কিন্তু কোন গবেষণা ছাড়া, যৌক্তিক কোন তথ্য উপাত্ত ছাড়া এভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার পক্ষে নন অভিবাবকরা । তারা জানিয়েছেন, সরকারে উচিৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার রোডম্যাপ দেয়া। বলছেন, শিক্ষার্থীদের বয়সভেদে অ্যান্টিবডি পরীক্ষার মতো গবেষণা করা হোক। কারণ দিনের পর দিন স্কুল বন্ধ থাকায় বহুমুখী সঙ্কটে পড়ছে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার।
একাত্তর/ এনএ
