পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বাট্টগ্রামের একটি ঝুলন্ত ক্যাবল কারে আটকে পড়া ছয় শিশুসহ আট যাত্রীকে উদ্ধারের অভিযান ১৪ ঘণ্টা পর সফলভাবে শেষ হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে তাদের সফলভাবে উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা। খবর: দ্য ডনের।
বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া এগারোটা পর্যন্ত আটকে পড়াদের মধ্যে পাঁচ শিশুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। ঝুলন্ত ক্যাবল কারে তখনও তিন শিশু ছিলো। পরে তাদেরও উদ্ধারের চেষ্টা সফল হয়। উদ্ধার অভিযানে সেনাবাহিনীর চারটি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছে।
আটকে পড়া শিশুরা মঙ্গলবার ক্যাবল কারে চড়ে স্কুলে যাচ্ছিল। সকাল ৯টায় গিরিখাতের ৯০০ ফুট উপরে ক্যাবল কারের একটি তার ছিঁড়ে যায়। এরপর থেকে তারা ঝুলন্ত ক্যাবল কারে আটকা পড়েছিল।
উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ার ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় পর দেশটির সময় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনীর মিডিয়া অ্যাফেয়ার্স উইং উদ্ধারকৃত শিশুদের সংখ্যা নিশ্চিত করে।
পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানায়, সেনাবাহিনীর স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপের (এসএসজি) জেনারেল কমান্ডিং অফিসার উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্ব দেন।
স্থানীয় জেলা প্রশাসক তানভীরুর রহমান বলেন, অন্যান্য বেসামরিক ও সামরিক বিশেষজ্ঞ এবং স্থানীয় কেবল অপারেটররা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করছেন।
রেডিও পাকিস্তান জানিয়েছে, ক্যাবল কারে আটকে পড়াদের খাবার ও পানীয় সরবরাহ করা হয়েছে।
উদ্ধারকারী কর্মকর্তা মারিক রিয়াজ খট্টক জানান, খোলা ক্যাবল কারটি একটি গিরিখাতের উপরে অর্ধেক পথ পাড়ি দেওয়ার পর আটকে পড়ে। এসময় একটি তার ছিঁড়ে যাওয়ায় অপর একটি তারের সঙ্গে ঝুলে পড়ে কারটি। দমকা বাতাসের কারণে উদ্ধার অভিযান জটিল হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: থাইল্যান্ডে ফিরেই গ্রেপ্তার থাকসিন সিনাওয়াত্রা
খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের প্রত্যন্ত ও পাহাড়ি অঞ্চলের অনেক শিশুই এমন ক্যাবল কারে স্কুলে যাতায়াত করে। এসব কার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না করার অভিযোগ রয়েছে।
একাত্তর/জো
