আশা ভোঁসলেকে বলা হয় ভারতীয় উপহমাদেশের সংগীতাঙ্গনের শেষ মুঘল। অগণিত মানুষের ভালোবাসা নিয়েই দ্যুতিময় সংগীতজীবন যাপন করেছেন আশা ভোঁসলে। আজ এ কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পীর ৯০তম জন্মদিন।
১৯৩৩ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর বর্তমান মহারাষ্ট্রে অবস্থিত সঙ্গিল জেলার গৌড়ে এক সঙ্গীত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আশা ভোঁসলে।
রয়্যালটি-সংক্রান্ত ঝামেলায় ‘লতা-রফি ডুয়েট’ যখন বন্ধ হলো। তখন লতার স্থানে এলেন আশা। শঙ্কর-জয়কিষণ জুটিরও দ্বিতীয় পছন্দের গায়িকা হয়ে গেলেন আশা। চটুল-চঞ্চল ধরনের গান, ক্যাবারে, কাওয়ালি চালের গানে প্রায় সব সংগীত পরিচালকই নির্ভর হয়ে উঠলেন আশা ভোঁসলের প্রতি। এভাবে একটু একটু করে বোনের সাম্রাজ্যে ঢুকে পড়লেন আশা।
বোন লতা মঙ্গেশকরের দাপটে অনেকটাই পিছিয়ে ছিলেন আশা ভোঁসলে। আশা সেসব গানই গাওয়ার সুযোগ পেতেন, যেগুলো লতা গাইতে রাজি হতেন না।
সত্তর দশকের শুরুর দিকে আশা পেয়ে যান তার পরবর্তী উত্থানের সিঁড়ি রাহুল দেববর্মনকে। রাহুল একে একে সুপারহিট গান তুলে দিয়েছেন আশার কণ্ঠে। আশা সেই গানের যথাযথ মর্যাদা দিয়েছেন। গানের সূত্রেই মন দেওয়া-নেওয়া হয়েছিল আর ডি বর্মন ও আশার, করেছিলেন বিয়ে। চটুল থেকে সিরিয়াস গানে যেমন তার অনায়াস বিচরণ, তেমনি মঞ্চের জমজমাটি পরিবেশনাতেও আশা ছিলেন সময়ের চেয়ে এগিয়ে।
ভারতের বিভিন্ন ভাষায় গান করেছেন তিনি। গেয়েছেন সংগীতের বিভিন্ন ধারায়। সবচেয়ে বেশি গান রেকর্ড করার জন্য গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে তার নামও রয়েছে। পেয়েছেন দাদাসাহেব ফালকে, পদ্মবিভূষণসহ নানা পুরস্কার। এখনো গান করছেন আশা। একবার সংবাদমাধ্যমে নিজের শেষ ইচ্ছার কথা জানিয়ে বলেন, ‘যতক্ষণ নিঃশ্বাস আছে, ততক্ষণ গান গেয়ে যেতে চাই।
ভেঙে গেলো জো-সোফির সংসার