ভাষা পরীক্ষায় পাশের পরও দক্ষিণ কোরিয়া যেতে পারছেন না পাঁচ হাজারের বেশি প্রবাসগামী। তাদের অভিযোগ, বছর ধরে অপেক্ষা করেও সিরিয়ালে নাম আসছে না। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং বলছেন, বোয়েসেলের কাজের ধীর গতিই এর কারণ। যদিও দক্ষিণ কোরিয়াতে কর্মী পাঠানোর একমাত্র এজেন্সি বোয়েসেলের দাবি কোরিয়া থেকেই চাহিদাপত্র আসছে কম।
বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি জনশক্তি রপ্তানি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল ২০০৮ সাল থেকে ইপিএস কর্মসূচির মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠাচ্ছে। গেল বছর করোনার পর প্রায় ছয় হাজার কর্মী গেছে দেশটিতে। যাদের মাসিক বেতন দুই লাখ টাকার বেশি।
কোরিয়া যেতে দরকার ভাষায় পারদর্শিতা এবং লটারিতে নাম ওঠা। দুটো হবার পরই প্রার্থীরা ডাক পান বোয়েসেল থেকে।
কিন্তু অনেকেরই অভিযোগ, যারা আগে পাশ করেছেন তাদের না ডেকে নতুনদের চাকরির আবেদনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে।
ঢাকায় নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক বলেন, ইপিএস সিস্টেম বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে পরীক্ষিত একটি পদ্ধতি কর্মী পাঠানোর। আমরা দক্ষতা বিচার করেই বাংলাদেশসহ ১৬ দেশ থেকে কর্মী নিয়ে থাকি। বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেল খুবই ধীর গতিতে কাগজ প্রস্তুত করে। আবার এটি বেসরকারি খাতে দিলে সেখানে দুর্নীতি বাসা বাধবে।

এবছর দক্ষিণ কোরিয়ায় দশ হাজার কর্মী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোয়েসেল। এরইমধ্যে ৯ মাসে প্রায় চার হাজার প্রবাসী দেশটিতে গেছেন। তবে চাহিদাপত্র কম থাকায় সম্ভব হচ্ছে না সকলকে পাঠানো।
প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব মনিরুস সালেহিন বলেন, যিনি আগে পরীক্ষা দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনিই যে যাবেন, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। এটা কম্পিউটারের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়।
কোরিয়া যাবার জন্য নির্বাচিত হলে তিন লাখ টাকা জামানত হিসাবে জমা দিতে হয়। কেউ চুক্তি শেষ হবার আগেই চাকরি পরিবর্তন করলে তাকে জামানতের টাকা ফেরত দেয়া হয় না।
২০২৪ সালের হজের কোটা ঘোষণা