বাংলা সিনেমার ইতিহাসে যুক্তরাষ্ট্রে হয়ে গেল দেশীয় সিনেমা অন্তর্জালের সবচেয়ে বড় স্ক্রিনিং। আজ দেশ বিদেশ মিলিয়ে ১৮৪টি প্রেক্ষাগৃহে এক সঙ্গে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। ইতিমধ্যে জাওয়ানের দাপটকে উপেক্ষা করেই সিনেপ্লেক্সগুলোতে বিক্রি হয়ে গেছে আগামী তিন দিনের সব টিকিট।
একদিকে জাওয়ানের দাপট অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়া তারপরেও অন্তর্জালের মুক্তির দিনের সব-টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে দুই দিন আগেই।
সিনেমাটি বেশ কয়েকবার মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেয়ার কারণে শঙ্কা ছিল হয়তো অন্তর্জাল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে দর্শক। কিন্তু অন্তর্জালের রহস্যের মতোই দর্শক শেষ মুহূর্তে এসে জানিয়ে দিল সিনেমাটির জন্যই দিনের পর দিন অপেক্ষায় আছে তারা।
অন্তর্জালের মুক্তির কারণে প্রদর্শনীর সংখ্যা কমিয়ে দেয়া হয়েছে জাওয়ান সিনেমার। স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রতিদিনের শো দেয়া হয়েছে ১৪টি আর যমুনা ব্লকবাস্টারে চারটি । সব মিলিয়ে দেশের প্রেক্ষাগৃহে অন্তর্জালের হল সংখ্যা ৩৫ টি হলেও বাংলাদেশে মুক্তির দিনেই সিনেমাটি মুক্তি দেয়া হয়েছে আমেরিকাতেও। তাই সিনেমাটির সফলতা নিয়ে আশাবাদী প্রযোজক পরিচালক থেকে শুরু করে কলাকুশলীরা।
চিত্রনায়ক এবিএম সুমন বলেছেন, আমি অনেক এক্সাইটেড। কারন আমরা অনেকদিন এই প্রজেক্টের পিছে লেগে ছিলাম। আমাদের শুটিং শেষের পরেও আমাদের পোস্টে অনেক কাজ ছিলো। আপনারা জানেন আমরা বেশ কয়েকবার পিছিয়েছি পোস্টে কাজ করার জন্যেই। আমরা বিশ্বাস করি এ সিনেমা সবার ভালো লাগবে।
পরিচালক দীপংকর দীপন বলেছেন, অন্তর্জাল আসলে খুব এক্সক্লুসিভ ছবি। দেখলেই বুঝতে পারবেন, ছবিটা আমরা তিন বছর ধরে বানিয়েছি এমনে এমনেইনা। এ ছবিটার পেছনে আমাদের বিশাল অংকের অর্থ খরচ হয়েছে, প্রায় ছয় কোটির মতো। প্রতিটা পয়সা এখানে হিসাব করে, কষ্ট করে খরচ করা হয়েছে। এ ছবির মধ্যে আমরা যে ধরণের ভিজুয়াল তৈরি করেছি, গল্প, সেট ও ক্যারেক্টার তৈরি করেছি এটা সিনেমা হলে না দেখলে প্রোপার সাধটা পাবেননা।
সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মনে করেন যেহেতু বর্তমানের তরুণ দর্শকেরা ভিন্ন নির্মাণ আর গল্পের সিনেমা পছন্দ করে তাই তারকা বহুল অন্তর্জাল সিনেমাটি দেখতে ভিড় হবে দেশীয় প্রেক্ষাগৃহগুলোতে।
প্রযোজক মোহাম্মদ আলী হায়দার বলেছেন, এ জেনারেশন যেটা দেখতে চায়, অর্থাৎ টেকনিক্যালি সাউন্ড একটা ছবি। এবং গল্পটা অনেক বেশি এ প্রজন্ম যেভাবে চিন্তা করে, এ প্রজন্ম যেভাবে দেশকে নিয়ে ভাবে, একটা কন্টেন্ট নিয়ে ভাবে সেরকম একটা কন্টেন্ট অন্তর্জাল হয়েছে। কাজেই আমার মনে হয় এ ডার্ক ওয়েব, জেড জেনারেশন, তরুণ এবং তারুণ্য হচ্ছে এ সিনেমার মূল চালিকা শক্তি।
দীপংকর দীপনের পরিচালনায় নির্মিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন সিয়াম, এবিএম সুমন, বিদ্যা সিনহা মীম ও সুনেরা বিনতে কামাল।
পরীমনির ‘তিন টাকার’ বিয়ে টিকেছিলো পাঁচ মাস