দেশে নির্বাচনের পক্ষে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। বিক্ষিপ্ত বোমাবাজি করে এটা বন্ধ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুমতি দলের প্রয়োজনে কৌশলগত সিদ্ধান্ত।
সোমবার সকালে ৬৯ এর গণঅভ্যূত্থানে শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের কবরে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে আওয়ামী লীগ ছাড়াও দলটির সহযোগী সংগঠনগুলোও শ্রদ্ধা জানায়।
পরে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ নয়, অপকর্মের জন্য বিএনপিই তাদের সঙ্গী খুঁজে বেড়াচ্ছে।
রোববার সকালে গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি আসনে দলীয় ডামি প্রার্থী রাখার নির্দেশনা দেন। এছাড়া নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক করার নির্দেশও দেন।
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে উৎসব ও প্রতিযোগিতামূলক করতে নৌকার প্রার্থীর পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা অন্যান্য দলের কেউ প্রার্থী হলে তাকেও সহযোগী ও উৎসাহ দেওয়ার নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ প্রধান।
ওই দিন রোববার দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর নামের তালিকা ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের। এ তালিকায় বতর্মান সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাসহ অর্ধশতাধিকেরও বেশি নেতা বাদ পড়েছেন।
বাদ পড়াদের তালিকায় রয়েছেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) সাইফুজ্জামান শিখর, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম, হাবিবে মিল্লাত, সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা পঙ্কজ দেবনাথ, সাবেক সেনা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনসহ বেশকিছু বর্তমান এমপি, প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক মন্ত্রী।
ভোটের মাঠে নৌকার মাঝি হচ্ছে যারা
বর্তমান এমপিদের মধ্যে বাদ পড়লেন যারা