অভিনব ঘটনা। মুক্ত আকাশে উড়ে বেড়ায় উড়োজাহাজ। কিন্তু সেই উড়োজাহাজ যদি ডাঙ্গায় চলতে চায়, তাহলে তো বিপত্তি হবারই কথা। ঠিক তেমনই এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের বিহারে। একটি বাতিল হওয়া উড়োজাহাজকে রাস্তা দিয়ে চালাতে গিয়ে সেটি আটকে যায় একটি সেতুর নিচে।
বিহারের মোতিহারিতে উড়োজাহাজটি সেতুর নিচে আটকে পড়ার ঘটনায় গোটা এলাকায় প্রচুর যানজটের সৃষ্টি হয়। বাতিল হয়ে যাওয়া উড়ানটি মুম্বাই থেকে আসামে নেয়া হচ্ছিলো। তবে পিপরাকোটি এলাকার একটি সেতুর নিচে এসে সেটি আটকে পড়ে। রাস্তায় আটকে পড়া উড়ান দেখতে ভিড়ও জমে যায়।
বিহারের পুলিশ জানিয়েছে, উড়োজাহাজটি টেনে নিয়ে যাওয়া ট্রাক চালক সেতুর উচ্চতা বুঝতে না পারার কারণই এমন ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। উড়ানটিকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। অবসান ঘটে তীব্র যানজটের।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি ট্রাকের লম্বা পাটাতনের ওপর উড়ানটি বসানো ছিলো। বিহারের মোতিহারির পিপরাকোঠি সেতুর নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় উড়োজাহাজটি আটকে যায়। কিছুতেই সেটির বিশাল দেহ সেতুর নিচ দিয়ে গলানো যাচ্ছিলো না। ফলে গোটা রাস্তা আটকে যায়।
সেতুর নিচে আটকে যাওয়াতে উড়োজাহাজটির যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে। ট্রাক চালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহায্যে, দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর উড়ানটিকে রাস্তার ওপর থেকে সরানো হয়। ভাঙা অংশগুলোও সরিয়ে নিয়ে রাস্তা ফাঁকা করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রের খবর, মুম্বাইয়ে নিলামে উড়ানটি কেনেন এক ব্যবসায়ী। সেটিতে একটি বড় ট্রাকে বসিয়ে মুম্ব থেকে আসামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো। বিহারের পিপরাকোঠিতে গোপালগঞ্জের দিক থেকে আসা গাড়িকে ওভারব্রিজের নীচ দিয়ে যেতে হয়। ট্রাকটি পিপরাকোঠির কাছে ওই ওভারব্রিজের নিচে ফেঁসে যায় ৷
ট্রাকচালক ট্রাকটিকে বের করে আনার খুব চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি পারেননি। খবর পেয়ে পিপরাকোঠি থানার পুলিশের একটি দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ট্রাকের সব চাকাগুলোর হাওয়া বের করে দেয় । এতে ট্রাকের উচ্চতা কমে যায়। আর খুব সহজেই উড়ানসহ ট্রাকটিকে বের করে আনা সম্ভব হয়।
ইসরাইলি হামলায় আরও ১৮৭ ফিলিস্তিনি নিহত