নারায়ণগঞ্জে মশার কয়েল জ্বালানোর সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শিশুসহ একই পরিবারের ছয় সদস্য দগ্ধ হয়েছে।
বুধবার রাত দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন- সুখী আক্তার (৩২), তার মেয়ে সাদিয়া আক্তার (১১), দগ্ধ সুখীর ছোট বোন জান্নাতি আক্তার (১৬), ছোট ভাই মো. আরিফ (২১), ফুফাতো বোন রহিমা বেগম (৩৫) ও তার মেয়ে রিতু আক্তার (১৪)।
বাগপাড়া তাইজুল ইসলামের টিনসেড বাড়ির ভাড়াটিয়া রহিমা বেগমের স্বামীর খাবার হোটেলের ব্যবসায়ী। পটুয়াখালী গলাচিপা উপজেলার নলুয়াবাগি গ্রামের বাসিন্দা তারা।
দগ্ধদের চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধ রহিমার স্বামী জাহাঙ্গীর হাওলাদার জানান, রাতে জান্নাতি গ্যাসের চুলায় লাইটার জ্বালিয়ে মশার কয়েল জ্বালানোর সময় সারা ঘরে আগুন লেগে যায়। এসময় পরিবারের সবাই দগ্ধ হয়।
তিনি জানান, গ্রাস লাইন দিয়ে গ্যাস বের হলেও তা ঠিক করেননি মালিক। তাই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসক মো. তরিকুল ইসলাম জানান, সুখী আক্তারের শরীরের ১৭ শতাংশ, রহিমার ৪৫ শতাংশ, জান্নাতি আক্তারের ১৫ ও রিতুর শরীরের ১০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
রহিমাকে আইসিউতে এবং তিনজনকে ওয়ার্ল্ডে ভর্তি করা হয়েছে। কাউকেই শঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না। রহিমার অবস্থা সংকটাপূর্ণ।
সাদিয়ার ৫ শতাংশ ও আরিফের শরীরের ৩ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
অবশেষে একমাস পর উদ্ধার হলেন সেই হিমেল 