দখলদার ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে লেবাননের প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বহু ইসরাইলি হতাহত হয়েছে বলা খবর পাওয়া গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য দেয়নি তেল আবিব।
ইরানভিত্তিক প্রেস টিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসনে অন্তত ১৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জবাব হিসেবে বৃহস্পতিবার এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।
এক বিবৃতিতে ইরান সমর্থিত সংগঠনটি জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়ে এবং সাওয়ানে অঞ্চলে ইসরাইল যে গণহত্যা চালিয়েছে তার প্রাথমিক জবাবে অধিকৃত ভূখণ্ডের কাইরাত শামোনা শহরে কয়েক ডজন কাতিউশা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।
ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননে আগ্রাসন চালানোর পর হিজবুল্লাহ বলেছিল, দখলদারদের এই অপরাধযজ্ঞের জন্য মূল্য দিতে হবে। এরপরই লেবানন থেকে ইসরাইলের ভেতরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।
এর আগে ইসরাইলি হামলায় দক্ষিণ লেবাননের একই পরিবারের ১৫ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে পাঁচজন শিশু রয়েছে।
ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সাথে ইসরাইলের সংঘাত শুরুর পর এটিই ছিলো লেবাননের ওপর ইসরাইলের সবচেয়ে বড় আগ্রাসনের ঘটনা।
এর আগে গেলো অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ২৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
এর জবাবে ইসরাইলে হামলা চালিয়ে আসছে শিয়াপন্থি সংগঠনটি। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহ এ পর্যন্ত ইসরাইলের বিরুদ্ধে ১০০০ এর বেশি হামলা চালিয়েছে।
লেবাননের প্রতিরোধকামী সংগঠনটি বলেছে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ওপর ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারা হামলা থামাবে না।
পুতিনবিরোধী রুশ নেতা নাভালনির মৃত্যু
বিখ্যাত ‘গান্ডাম’ ভাস্কর্যটি ভাঙা হবে মার্চেই
আভদিভকা দখল করে নিতে পারে রাশিয়া: যুক্তরাষ্ট্র