কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের উপ-নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর উঠান বৈঠকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এরইমধ্যে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা।
সোমবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, বিস্ফোরণের সংবাদ পাওয়ার পর পরই সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা সৈয়দা সাদেকা সিদ্দিকা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ সুপারকে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে একই সময়ে ওই ওয়ার্ডে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে সাক্কুর মালিকানাধীন হোটেল রেডরুফ-ইন-এর হোটেলের গ্লাস, ফুলের টবসহ অন্যান্য আসবাবপত্র। হামলায় হোটেলের সুপাইভাজারসহ চারজন আহত হয়েছেন।

সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু অভিযোগ করেন, সোমবার বাদ আসর কুমিল্লা নগরীর ৯নং ওয়ার্ড বাগিচাগাঁও এলাকায় ঘড়ি প্রতীকের পক্ষে উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠক শুরুর আগেই স্থানীয় সেখানে জড়ো হওয়ার সময় পাশের ভবন থেকে ককটেল ছোড়া হয়। এতে আতঙ্ক ও ভীতি তৈরি হয় সমর্থকদের মধ্যে।
সাক্কুর অভিযোগ, বাগিচাগাঁওয়ে উঠান বৈঠকে হামলার কিছুক্ষণ পরে নগরীর রেইসকোর্স এলাকায় অবস্থিত তার মালিকানাধীন হোটেলেও হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এসময় হোটেলে ভাঙচুরসহ হোটেলটির সুপারভাইজার কবির হোসেন, স্টাফ ফারুক, রুহুল আমিন ও নাসিরকে আহত করা হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকার দলীয় সমর্থক বাস প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন এ হামলা চালিয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার বিকালে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাটাবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে গদারমার কলোনিতে টেবিল ঘড়ির উঠান বৈঠকে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
৯ মার্চ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএমে) মাধ্যমে কুমিল্লা সিটিতে মেয়র পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনে সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেনি। তবে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দু’জন নেতা এবং বিএনপির সাবেক দু’জন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন।
পুড়লো এক লাখ মেট্রিক টন চিনি