বিজেপির শক্তি খর্ব করতে চায় জোটের শরিকরা!

আপডেট : ১০ জুন ২০২৪, ০৭:০৬ পিএম

গত দশ বছরে যা যা করতে হয়নি কিংবা করার প্রয়োজনও মনে করেনি, এবার ঠিক তাই তাই করতে হচ্ছে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপিকে। এবারের লোকসভা নির্বাচন ফলই নরেন্দ্র মোদীর দলকে বাধ্য করছে এসব কাজ করতে, আর সেটি হচ্ছে জোট শরিকদের সামলে রাখা। যা, নির্বাচনেন আগে ভাবতেও পারেনি বিজেপি। কিন্তু ভোটের ফল আসতেই উল্টে গেছে সব কিছু।

রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। আর সেটাই যেন আরও একবার প্রমাণ করলো ভারতের অভাবনীয় লোকসভা নির্বাচন। ফল শেষে দেখা গেলো, আর একার পক্ষে বিজেপির সরকার গঠন সম্ভব নয়। জোটের দুই প্রধান শরিক অন্ধ্র প্রদেশের টিডিপি আর বিহারের জেডিইউ-এর কাছ থেকে লিখিত সমর্থন নিয়ে তবেই সরকার গঠন করতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিজেপি’কে।

এরিমধ্যে সরকার গঠনেরও এক ধাপ পূরণ হয়ে গেছে। রোববরাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শপথ নিয়েছেন ৭১ জন মন্ত্রী। এবার তাদের মন্ত্রনালয় বন্টনের পালা, যা সোমবার নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই মন্ত্রীদের এই ভাগাভাগি হয়ে যেতে পারে। আর এখানেই উঠছে একটা বড় প্রশ্ন। বিজেপির নিয়ন্ত্রণে থাকা মন্ত্রনালয়গুলোতে যদি ভাগ বসাতে যায় শরিক দলগুলো?

গত দশ বছরে যেসব মন্ত্রনালয়ের উপর ভর করে উন্নয়নযজ্ঞ চালিয়েছে, সেসব মন্ত্রনালয়েই নজর পড়েছে শরিকদের। স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, গ্রামোন্নয়ন, সড়ক পরিবহনের মতো দপ্তরগুলো বরাবরই বিজেপির হাতে থেকেছে। এই মন্ত্রনালয়ের কাজ নিয়ে জনগণের মধ্যে ভালো ভাবমূর্তিও রয়েছে। এবার সেসব মন্ত্রনালয়ের দিকেই নজর জোট শরিকদের, তথা টিডিপি ও জেডিইউ’র।

জোট সঙ্গীরাও ঝোপ বুঝে কোপ মারছেন। একদিকে টিডিপি যেখানে স্পিকার পদ চেয়েছে, তেমনই তাদের নজর প্রথম থেকেই স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, গ্রামোন্নয়নের উপরে। অন্যদিকে জেডিইউ-ও কম যায় না। রেলের দাবিতে অনড় তারা। বিহারের আরেক দল, এলজেপিও পেয়েছে মন্ত্রিত্ব, তারা চাইছে খাদ্য ও গণবিপণন মন্ত্রনালয়। আর কর্নাটকের দল জেডিএস চেয়েছে কৃষি মন্ত্রনালয়।

তবে সূত্র বলছে, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, অর্থ ও পররাষ্ট্র এই চার গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর নিজের হাতেই রাখবে বিজেপি। পাশাপাশি সড়ক ও পরিবহণও ছাড়তে নারাজ বিজেপি। এসব বাদ দিয়েই শরিকদের অন্যান্য মন্ত্রনালয় ছেড়ে দিতে পারে মোদীর দল। বলা হচ্ছে, জোটকে ১১ মন্ত্রি পদ ছেড়ে দেয়াতেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, আগামী পাঁচ বছর শরিকদের মুখাপেক্ষিই হয়ে থাকতে হচ্ছে বিজেপি-কে।

এআর
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নাটকীয় মোড়। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির এবার তৃণমূলের চেয়ারম্যান পদ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সরিয়ে দিলো।
বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজয়ের মাত্র এক মাসের মধ্যেই কার্যত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। গত মঙ্গলবার কলকাতার রাস্তায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না...
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখলেও বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের আসল নজর এখন তৃণমূল কংগ্রেসের ৮০ সদস্যের বিধায়ক দলের অন্দরে তৈরি হওয়া তীব্র ফাটলের...
বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যটির বিজেপি সরকার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর