বন্যার পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু না হওয়ায় সিলেটে শহরের বেশিরভাগ এলাকায় পরিবেশ দূষণ বাড়ছে। খাবার সংকট দেখা দিয়েছে দরিদ্র পরিবারে। সুনামগঞ্জে হাওরের পানি না কমায় আশেপাশের পানি নামার গতি খুব ধীর।
এদিকে, নীলফামারীর ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত শুরু না হওয়ায় ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে তিস্তা পাড়ের মানুষ।

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল বন্ধ হওয়ায় সুনামগঞ্জে এখন বিপদসীমার নিচ দিয়ে বইছে সুরমার পানি। এতেই বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি সরে যেতে শুরু করেছে।
আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়ি ফিরছে মানুষ। তবে সুনামগঞ্জের হাওর বন্যার পানিতে টইটুম্বুর থাকায় এলাকার পানি কমেছে ধীর গতিতে।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, এ বছর জেলায় ৮১টি ইউনিয়নের প্রায় ৮ লাখ ৫৫ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছিল।
সিলেট শহর থেকে বন্যার পানি নামলেও স্বাভাবিক কাজে ফিরতে পারেনি মানুষ। যে কারণে খাবার সঙ্কট রয়েছে কম আয়ের মানুষের। এদিকে ড্রেন আর খালের ময়লার পানির কারণে নগরীর ১৫ এবং ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ।

নেত্রকোণার উব্দাখালী নদীর পানি না কমায় কলমাকান্দায় দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে চলাচল।
নীলফামারীতে পানি কমতে শুরু করলেও তিস্তার ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ নিয়ে শঙ্কায় আছে বহু মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, শিগগির বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হবে।
এদিকে, বন্যার উন্নতি হওয়ায় লালমনিরহাটে তিস্তা ধরলা পাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কারের কাজ শুরু করেছে দুর্যোগ মন্ত্রণালয়।
উন্নতির পথে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি
উত্তরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা