কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ১৫৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্পে দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম। এই ঘটনায় প্রকল্প পরিচালক এসএম খালিদ সাইফুল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
দুদক বলছে, প্রকল্প পরিচালকের সাথে আঁতাত করে প্রকল্পের কাজ শেষ না করেই টাকা তুলে নিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রকল্প পরিচালক।
১৫৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্পে দুর্নীতির তথ্য অনুসন্ধানে সকালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টীম। এ সময় গণমাধ্যমের সাথে কথা না বলে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা অধিদপ্তরের পরিচালক এস এম খালিদ সাইফুল্লাহ।
রপ্তানি কাজে কাঁচা পণ্যের মান যাচাই করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে আওতাধীন কেন্দ্রীয় প্যাকিং-এর প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।
দুদক বলছে, প্রকল্পের কাজ শেষ না করেই ৬ তলা একটি ভবন নির্মাণ টাকা তুলে নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মাল্টিবিজ ইন্টারন্যাশনাল। টাকা উত্তোলনে সহায়তা করেন প্রকল্প পরিচালক খালিদ সাইফুল্লাহ। যদিও তার দাবি প্রকল্পে কোনো দুর্নীতি হয়নি।
২০২১ সালে, রপ্তানি কাজে কাচা পণ্যের মান যাচাই করতে শ্যামপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় প্যাকিং হাউজ তৈরির উদ্যোগ নেয় সরকার। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ১৫৮ কোটি টাকা। কিন্তু ভবনের কাজ শেষ হবার আগে টাকা তুলে নেয়া, ল্যাবের জন্য ১৮টি মেশিন সরবরাহ না করেই সেই টাকা তুলে নেয়ার অভিযোগ ওঠে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
দুদক কর্মকর্তা জানান, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ বিষয়ে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন পেশ করবেন দুদকের এনফোর্সমেন্ট টীম।
আলোচিত সেই মিল্টন সমাদ্দারের জামিন