নোয়াখালীর সেনবাগে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে থানা থেকে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রসহ মনির আহম্মদ (২১) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে সেনবাগ উপজেলার কাদরা ইউনিয়ন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মনির একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আহমেদপুর গ্রামের মো. হানিফের ছেলে।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, গত ৫ আগস্ট ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন থানায় দুষ্কৃতকারীরা অগ্নিসংযোগসহ সরকারি অস্ত্র-গুলি লুটপাট করে। লুট হওয়া অস্ত্র-গুলি যাতে সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত না হয় সেই বিষয়ে থানা পুলিশ সতর্ক অবস্থান নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সেনবাগ থানা পুলিশ জানতে পারে, মতি মিয়ার হাট এলাকার জনৈক হানিফ মিয়ার ছেলে মনিরের কাছে একটি অত্যাধুনিক পিস্তল আছে। সে অস্ত্রটি সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রির চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর সাথে সমন্বয় করে সেনবাগ থানা পুলিশের একটি টিম রাত আনুমানিক সোয়া ৯টার দিকে মনিরের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয় জনগণের সহায়তায় মনিরকে আটক করা হয় এবং তার হেফাজতে থাকা একটি সেমি অটোমেটিক ৭.৬২ মিমি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনির জানান যে, তার প্রতিবেশী ও আত্মীয় কাইয়ুম অস্ত্রটি বিক্রি করার জন্য তার কাছে রেখেছেন। অস্ত্রটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাধীন থানা থেকে লুট করা হয়েছিলো। অস্ত্র লুটের ঘটনায় কাইয়ুম সরাসরি অংশগ্রহণ করেন।
এ ঘটনায় সেনবাগ থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পলাতক কাইয়ুমকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর দুর্বৃত্তের আগুনে দুই মৃত্যু
নোয়াখালীতে গুলিবিদ্ধ যুবকের মৃত্যু ঢামেকে