বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতায় প্রভাব পড়েছে ভারতের পর্যটনশিল্প ও ব্যবসায়। কলকাতার পার্ক স্ট্রিটসহ আশপাশের এলাকার হোটেল ও দোকানে বাংলাদেশিদের এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। আগে এসব জায়গায় প্রচুর বাংলাদেশি ক্রেতা ও পর্যটকদের দেখা যেতো।
গত জুলাইয়ে শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরুর পর গণমানুষের অংশগ্রহণে ৫ আগস্ট পতন হয় শেখ হাসিনা সরকারের। ক্ষমতা নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারত ভ্রমণকারী পর্যটকের সংখ্যা ৯০ শতাংশেরও বেশি কমেছে।
কলকাতার ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কয়েক দশকে করোনাকালীন সময় বাদে এতো কম বাংলাদেশি পর্যটক তারা কখনোই দেখেননি।
বাংলাদেশি পর্যটকরা মূলত মেডিকেল, ট্যুরিজম বা কেনাকাটার জন্য কলকাতা আসেন। ঈদ, পূজা ও বিয়ের মৌসুমে প্রচুর ভিড় হয়।
ভারত সরকারের হিসেব বলছে, ২০২৩ সালে ভারতে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছিলো। তবে এই পরিসংখ্যান প্রাক-মহামারি চেয়ে ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ কম ছিলো।
গত বছর ভারতে ৯ দশমিক ২৩ মিলিয়ন বিদেশি পর্যটক এসেছিলো। আয় হয়েছিল ২৪ হাজার কোটি রুপির বেশি। বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া পর্যটকের সংখ্যা ছিলো ২২ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি। যা ছিলো অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় বেশি।
আগে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে দৈনিক গড়ে কমবেশি পাঁচ হাজার বাংলাদেশি ভারতে ঢুকতো।
বলা হচ্ছে, বাংলাদেশি পর্যটক কমে যাওয়ায় প্রতিমাসে ৭৫০ কোটি টাকার মতো আয় বন্ধ হয়ে গেছে ভারতের।
বন্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশ-ভারত নতুন ব্যবস্থার প্রস্তাব ড. ইউনূসের