পরের মাঠে ড্র করে এবারে ঘরের মাঠেও ধরা পড়ে গেলো পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। উরুগুয়ের বিপক্ষে প্রায় হেরে যাওয়া ম্যাচ কোনমতে ১-১ গোলে ড্র করেছে সেলেসাওরা। তাতে একটা পয়েন্ট মিলেছে বটে, তবে কনমেবল অঞ্চলের পয়েন্ট টেবিলের পাঁচে নেমে গেছে ব্রাজিল।
হাতি কাঁদায় পড়লে ব্যাঙেও লাথি মারে। আজ খেইহারা ব্রাজিলকে পেয়েও উরুগুয়েও যেমন ওদের ঘাড়ে চড়ে বসে। আগের ম্যাচেই ভেনেজুয়েলা ওদের এক হাত নিয়েছে। নিজেদের মাঠে ড্র করে ব্রাজিলকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে। কিন্তু হোমগ্রাউন্ডে এসেও ভাগ্য ফেরাতে পারলো ডোরিভাল জুনিয়রের শিষ্যরা।
ম্যাচের ৬০ শতাংশের বেশি বল পজেশন ধরে রাখে স্বাগতিকরা। একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও কপাল খোলেনি ওদের। উল্টো সেই কপাল পুড়েছে সেকেন্ড হাফে।
ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরোহর অ্যাসিস্টে বক্সের বাইরে থেকে করা শটে বল জালে জড়ান উরুগুয়ের রিয়াল মাদ্রিদ মিড ফেদেরিকো ভালভার্দে। তাতেই ভাঙে ডেডলক। উরুগুয়ের লিড।
জবাবটা ব্রাজিল অবশ্য দিতে পেরেছে সাত মিনিট বাদেই। ৬২ মিনিটে গ্যারসনের শোধ করেন গোলটা। স্কোরলাইন ১-১এ সমতা। ফ্লেমিঙ্গো মিডফিল্ডারের এটাই প্রথম আন্তর্জাতিক গোল।
লিড নেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যায় ব্রাজিল। কিন্তু একের পর এক শটে উরুগুয়ের ডিফেন্সলাইনে ভিনিশিয়াস-রাফিনিয়ারা কাঁপন ধরালেও কাজের কাজ হয়নি। ম্যাচের ৬৪ মিনিটে মারতিনেল্লির দারুণ শটটা থামিয়ে দেন গেস্ট গোলকিপার।
স্কোরলাইনের দখল নিতে শেষ বেলায় পাকুয়েতাকে নামিয়েছিলেন কোচ ডোরিভাল জুনিয়র। কেবল এদিক সেদিকের ঝলকই দেখিয়েছেন। গোল আর পাননি। ৮৬ মিনিটে ব্রাজিলের একমাত্র স্কোরার গ্যারসনের বদলি নামেন। তার দুই মিনিট বাদে একটা অ্যাাসিস্টও করেছিলেন এসতেভাওকে। তবে শট মিস করেন সেলেসাও ফরোয়ার্ড। ঘটনার এক মিনিট বাদেই কড়া চার্জ করে রেফারির কাছ থেকে পেয়েছেন হলুদ কার্ড উপহার।
কোয়ালিফাই করার ঝুকি এখনো নেই ব্রাজিলের। তবে উরুগুয়ের বিপক্ষে ড্র করায় আর একই দিনে ইকুয়েডর কলোম্বিয়ার বিপক্ষে জয় পাওয়ায় কনমেবল পয়েন্ট টবিলের পাঁচে নেমে গেছে ব্রাজিল। উরুগুয়ে ধরে রেখেছে দুই নম্বর পজিশন। সেরা ছয় দল এই অঞ্চল থেকে কোয়ালিফাই করবে ২০২৬ ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপে।
