যুক্তরাষ্ট্রের ৯৮ শতাংশ বাসিন্দা এমন এলাকায় বসবাস করছেন যেখানে করোনাভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা গণসংক্রমণের ‘উচ্চ’ ঝুঁকি রয়েছে, এমনটাই বলছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)। এক মাসের আগেও এই ঝুঁকির হার ছিল মাত্র ১৯ শতাংশ।
সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মূলত করোনার ডেল্টা ধরনের কারণেই এই হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া ঢিলেঢালা টিকা কর্মসূচি এই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এক সপ্তাহে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এবং পরীক্ষায় করোনা শনাক্তের হার, এই দুটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে সংস্থাটি সংক্রমণের এই মাত্রা পরিমাপ করেছে।
সিডিসি জানিয়েছে, প্রতি এক লাখের মধ্যে ১০ জনের কম মানুষ করোনা সংক্রমিত হচ্ছেন এবং পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৫ শতাংশের কম, সেসব এলাকাকে সংক্রমণের কম ঝুঁকিতে থাকা এলাকা হিসেবে বিবেবচনা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে যেসব এলাকাকে ‘উচ্চ’ ঝুঁকির এলাকা হিসেবে ধরা হচ্ছে, সেখানে প্রতি এক লাখের মধ্যে ১০০ জন সংক্রমিত হচ্ছেন এবং পরীক্ষায় করোনা শনাক্তের হার ১০ শতাংশ বা তার বেশি।

সিডিসি পরিচালক রচেল ওয়ালেনস্কি জানান, সংস্থাটির মডেল অনুসারে যদি মানুষ টিকা না নেয়। তাহলে প্রতিদিনই লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
সিডিসি'র মতে, করোনার ডেল্টা ধরন ঠেকাতে টিকাই সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার। পাশাপাশি আবারও মাস্ক ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা এবং যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি ভিত্তিতে গণটিকাদান কর্মসূচি গতিশীল করার পরামর্শ দিয়েছে সিডিসি।
আরও পড়ুন: রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে ১৬ যাত্রী নিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
বৃহস্পতিবার দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ প্রায় দেড় লাখ মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, যা গত সাড়ে ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত জুনেই দেশটিতে দৈনিক শনাক্তের গড় ১১ হাজার থাকলেও আগস্টের শুরু থেকেই তা বেড়ে গড়ে এক লাখে পৌঁছায়। আর মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে তা প্রায় দেড় লাখে দাঁড়িয়েছে।
একাত্তর/আরবিএস
